১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিঢাকাজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামতসম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

১০ কারণে বাড়ছে খাদ্যঝুঁকি

সূত্র: Dainik Purbokone / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

কালুরঘাট সেতু পার হলেই চোখে পড়ে কর্ণফুলী নদীর তীরে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় শিল্প-কারখানা। সারি সারি বালুর স্তূপ, নানা স্থাপনা। ফসলি জমির উপর নির্মাণ করা হয়েছে এসব কারখানা। এক সময় এসব জমিতে ব্যাপক ধান ও সবজি চাষাবাদ হতো।

কালুরঘাট সেতু থেকে নেমে আরাকান সড়ক ধরে এগোতে দেখা যায়- রাস্তার দুই দিকে গড়ে ওঠেছে শিল্প-কারখানা, বাড়িঘর, মার্কেট ও নানা ধরনের স্থাপনা। শেষপ্রান্ত মিলিটারি পুল পর্যন্ত গেলাম। ৭-৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দেখা যায় একই অবস্থা, ছোট-বড় মিলকারখানা, মার্কেট, দোকানসহ নানা স্থাপনা। রাস্তা থেকে খোলা আকাশ দেখা দায় হয়ে পড়েছে। শাকপুরা ও গোমদণ্ডী ফুলতলী এলাকায় কথা হয়, আবদুল করিম, নেজামত উল্লাহসহ অন্তত ৫ জনের সঙ্গে। তারা বললেন, নদী-খাল ও রাস্তার পাশে সব ধানী জমি ছিল। প্রচুর চাষাবাদ হতো। নিজেদের চাহিতা মিটিয়ে অন্য এলাকায় সরবরাহ করা হতো। এখন সিংহভাগ জমি চলে গেছে শিল্প-আবাসন ও ব্যবসায়ী খাতে। ধানী জমি ছাড়াও খাল-নালা ও নদীর তীর ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এতে আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে ধানী জমি। জলাবদ্ধতার কারণে বাকি জমিও চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

একই চিত্র দেখা যায়, শহরতলী উপজেলা বোয়ালখালী ছাড়া কর্ণফুলী, পটিয়া, আনোয়ারা, হাটহাজারী, সীতকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলায়। এসব উপজেলা দ্রুত নগরায়নের কারণে কমছে ধানী জমি। বাড়ছে অনাবাদি-পতিত জমির পরিমাণ।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbokone

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর