শ্রেণিকক্ষের চক-ডাস্টার নাকি ইউনিয়ন পরিষদ: কোথায় যাবেন এমপিও শিক্ষক?

সংবাদ থেকে
একটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক গতিশীলতা ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করার পেছনে দুই ধরনের কাঠামোর ভূমিকা অনস্বীকার্য—একদিকে তৃণমূলের উন্নয়ন ও স্থানীয় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ‘স্থানীয় সরকার’, অন্যদিকে জাতির ভবিষ্যৎ গঠন ও মানবসম্পদ তৈরির জন্য ‘শিক্ষা ব্যবস্থা’। কিন্তু সম্প্রতি এই দুই ব্যবস্থার সংযোগস্থলে তৈরি হয়েছে এক গভীর নীতিগত বিভ্রান্তি ও সাংঘর্ষিক বিতর্ক।
এমপিওভুক্ত (Monthly Pay Order) বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কি না—এ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের ভিন্নমুখী বক্তব্য এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রখর প্রতিক্রিয়া দেশজুড়ে এক বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
কয়েক দিন আগে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিললেও, শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। আবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর কণ্ঠে শোনা গেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচন করতে বাধা নেই। এরই মাঝে বিরোধী রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা দিলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সরকারের ভেতরে নীতিগত ঐক্যের এই অভাব কেবল প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে না, বরং তৃণমূলের শিক্ষা ও স্থানীয় শাসনের সামগ্রিক শৃঙ্খলাকেও হুমকির মুখে ফেলছে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

