২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৫৮ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

একযুগে লোকসান ৭ বার, এবার ক্ষতি ৫ হাজার কোটি টাকা

সূত্র: Sarabangla / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

রংপুর: আলুর বাম্পার ফলন আর বাজারে দরপতনের চাপে বিপর্যস্ত উত্তরাঞ্চলের আলুচাষিরা। হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এখনো বিক্রি না হওয়ায় এবং নতুন মৌসুমের আলু চাষ শুরু হওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। বর্তমান বাজারদরে কেজিতে ১০-১১ টাকা লোকসান ধরে শুধু রংপুর বিভাগের উৎপাদিত আলুতেই কৃষকদের সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

কৃষি বিভাগ জানায়, এবছর রংপুর বিভাগে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৬ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছে ৫১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭ টন আলু। ১২৪টি হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়েছে মাত্র ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯২ টন, যা মোট উৎপাদনের ২৩ দশমিক ১ শতাংশ। সংরক্ষিত আলুর ৭৩ দশমিক ৮ শতাংশ (৮ লাখ ৮২ হাজার ২৮৮ টন) এখনো হিমাগারে পড়ে আছে। এ ছাড়া, হিমাগার গেটে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি মাত্র ১১-১৪ টাকায়, যেখানে উৎপাদন খরচই ১৭-১৮ টাকা। সেক্ষেত্রে একজন কৃষকের ৬১ কেজির বস্তায় লোকসান ৮০০ টাকা।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কৃষক মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা হয় সারাবাংলার এই প্রতিবেদকের। তিনি জানান, এবার ৪৯ বিঘা জমিতে আলু আবাদ করেছিলেন। ৬১ কেজির ৫ হাজার ২০০ বস্তা আলু হিমাগারে রাখা অবস্থায় ৩ হাজার ১৪২ বস্তা বিক্রি করে পেয়েছেন ১৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। কিন্তু হিমাগার ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাদে অবশিষ্ট আলু থেকে যে টাকা উঠবে, তা নিয়ে তিনি গভীর সংশয়ে আছেন। তার হিসাবে হিমাগার থেকে আলু তোলাসহ খরচ হয়েছে কেজিতে সাত টাকা। এখন দাম ১১-১৪ টাকায় নেমে আসায় প্রতি কেজিতে ১৫-১৬ টাকা লোকসানের মুখে তিনি। আতাউর রহমানের মতো অনেক কৃষকই আলু তোলাই বন্ধ রেখেছেন।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর