২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৯ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

বানিয়াচংয়ে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের ॥ গ্রেফতার ৩

সূত্র: Habiganj Express / অপরাধ

সংবাদ থেকে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বানিয়াচং উপজেলার ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের বাগহাতা গ্রামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং এক পুলিশ সদস্যকে মারধর করে আহত করার অভিযোগে মাহফুজ মিয়াসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বানিয়াচং থানার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নম্বর ৮৩৭-এর সূত্র ধরে এএসআই মো. ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেপ্তার ও পরোয়ানা তামিলের উদ্দেশ্যে কাগাপাশা ইউনিয়নের বাগহাতা গ্রামে যায়। সেখানে বানিয়াচং থানার মামলা নম্বর ১৪, ২০ অক্টোবর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. মোশাহিদ মিয়া (২৮) ও মো. নজরুল মিয়া (২১)-কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এজাহারে আরো বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের নিয়ে থানায় ফেরার পথে একই দিন বিকেল পৌণে ৫টার দিকে আসামিদের বাড়ির সামনের পাকা রাস্তায় পৌঁছালে মাহফুজ মিয়াসহ কয়েকজন ব্যক্তি ‘ধর ধর’ বলে চিৎকার করে এগিয়ে আসেন। এ সময় তাঁরা গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে টানাহেঁচড়া শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বাঁধা দিলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কনস্টেবল মো. মাসুম আলীকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পড় মারেন। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

পরে তাঁকে উদ্ধার করে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পুলিশের এজাহারে সরকারি কাজে বাঁধা, পথরোধ ও পুলিশ সদস্যকে আঘাত করার অভিযোগে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে পুলিশের অভিযানে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ও সম্পদের ক্ষতি হয়ে থাকলে এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ উঠলে, সেসব বিষয়ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ সার্কেল ও বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হককে রাত ১১টা পর্যন্ত ফোনে কিংবা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মূল প্রতিবেদন: Habiganj Express

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর