বাউল লালন সাঁই

সংবাদ থেকে
জাতি-ধর্মের বিভেদ ভুলে মানুষে মানুষে সমতার সমাজ গড়ার এই আকাঙ্ক্ষা বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের দর্শনের অন্যতম প্রধান দিক। গান ও সাধনার মধ্য দিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন ধর্মীয় পরিচয়, জাতপাত ও সামাজিক বিভেদের প্রচলিত ধারণা নিয়ে।
লালন ফকির, লালন সাঁই, লালন শাহ কিংবা মহাত্মা লালন, বিভিন্ন নামে পরিচিত এই সাধককে কেউ আধ্যাত্মিক বাউল, কেউ মানবতাবাদী দার্শনিক, আবার কেউ সর্বেশ্বরবাদী সুফি সাধক ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে দেখেন। অসংখ্য গানের রচয়িতা, সুরকার ও গায়ক লালনকে বাউল গানের অগ্রদূত বলা হয়। তাঁর গানেই উনিশ শতকে বাউল সংগীত ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তাঁকে বাউল গানের সম্রাট হিসেবেও গণ্য করা হয়।
লালনের জন্মসাল নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কারও মতে, ১৭৭২ সালে, আবার কারও মতে ১৭৭৪ সালে নাটোরের রানী ভবানীর রাজ্যের কোথাও তাঁর জন্ম। ১৮৯০ সালে তৎকালীন নদীয়া জেলার কুষ্টিয়া মহকুমার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়া গ্রামে নিজের প্রতিষ্ঠিত আখড়ায় তাঁর মৃত্যু হয়।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗



