৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৯ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

১০ শতাংশ ছাড়েও শাহ আমানত সেতুতে ই-টোলে সাড়া কম

সূত্র: Dainik Purbokone / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

টোল প্লাজায় যানজট কমানো, সময় বাঁচানো এবং রাজস্ব আদায়ে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নগরের তৃতীয় কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুতে চালু করা হয়েছে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) বা ই-টোল পদ্ধতি। ২০২১ সালের মে মাসে সীমিত পরিসরে এবং পরবর্তীতে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে এই ডিজিটাল সেবা চালু করা হয়। এই পদ্ধতিতে টোল পরিশোধে ১০ শতাংশ ছাড় এবং নগদ টাকা ছাড়াই মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সেতু পারাপারের সুবিধা থাকলেও যানবাহনের চালক ও মালিকদের কাছ থেকে আধুনিক এই প্রযুক্তিতে আশানুরূপ সাড়া মিলছে না।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ছাড়াও পর্যটন নগরী কক্সবাজার ও বান্দরবানের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম শাহ আমানত সেতু। এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২২ থেকে ২৫ হাজার যানবাহন চলাচল করে। সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শুক্রবারসহ পর্যটন মৌসুমে যানবাহনের এই চাপ আরও বেড়ে যায়। সেতুটির ই-টোল সিস্টেম ও কেন্দ্রীয় ডেটাবেইসের আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজারের বেশি যানবাহন নিবন্ধিত হলেও প্রতিদিন গড়ে মাত্র এক হাজার গাড়ি ইটিসি পদ্ধতিতে টোল পরিশোধ করছে। যা মোট চলাচলকারী যানবাহনের তুলনায় অত্যন্ত কম। অথচ ইটিসিতে টোল আদায় হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পুরো টাকা সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা হয়, পারাপারে সময় কম লাগে এবং সেতু এলাকায় কোনো যানজটও তৈরি হয় না। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগযুক্ত যেকোনো যানবাহন সহজেই এই সেবার আওতায় নিবন্ধিত হতে পারে। সেতুর টোল প্লাজায় স্থাপিত বিশেষ অ্যান্টেনা গাড়ির উইন্ডশিল্ডে থাকা আরএফআইডি স্টিকার ও ডিজিটাল নম্বর প্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে এবং নির্দিষ্ট হিসাব থেকে টোলের টাকা কেটে নেয়। এতে টোল প্লাজায় গাড়ি থামিয়ে নগদ টাকা লেনদেন বা ভাংতির জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।

যানবাহনের মালিক ও চালকরা চাইলে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ, রকেট, উপায়, ই-টোল অ্যাপ কিংবা ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) কার্ড ব্যবহার করে সহজেই ই-টোল পরিশোধ করতে পারেন। এছাড়া ইটিসি ব্যবহারকারীদের উৎসাহিত করতে নির্ধারিত টোলের ওপর ১০ শতাংশ টাকা কম নেওয়া হয়। এত সব সুবিধা থাকার পরও প্রচারণার অভাব, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার ঘাটতি এবং চালকদের অনীহার কারণে ই-টোলে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে, সিংহভাগ গাড়ি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নগদ টাকায় টোল দেওয়ায় প্রতিদিনই টোল পয়েন্ট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। এতে যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। সাধারণ ব্যবহারকারীদের অনেকের অভিযোগ, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে যানবাহনের টোল নিলে আদায়কৃত পুরো টাকা সরকারি রাজস্ব খাতে জমা হয় না।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbokone

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর