মৃত ব্যক্তি ও প্রবাসীরাও প্রকল্পের শ্রমিক!

সংবাদ থেকে
কেউ মারা গেছেন বহু আগে, কেউ পাড়ি জমিয়েছেন প্রবাসে। অথচ কাগজে কলমে সরকারি নথিতে তারাই নিয়মিত কাজ করছেন অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের শ্রমিক হিসেবে। কেউ আবার বেঁচে থেকেও জানেন না কোনো প্রকল্পের কথা। আবার প্রকৃত শ্রমিকদের অনেকে জানতেনই না, তাদের নামে কত টাকা লেনদেন হচ্ছে। অথচ তাদের নামেও হয়েছে ব্যাংক লেনদেন, তোলা হয়েছে প্রকল্পের টাকা।
সরকারি অর্থ লুটের এমন ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদে। যেখানে চার অর্থবছরে একাধিক প্রকল্পে এই লুটে মৃত ব্যক্তি, প্রবাসী, ব্যবসায়ী এমনকি রাজনৈতিক নেতা ও ইউপি সদস্যরাও বনে গেছেন দিনমজুর শ্রমিক। আর এভাবেই ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) বাস্তবায়িত প্রকল্পের ১ কোটি ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৩ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ ঘটনায় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. এনায়েত হোসেন নয়নসহ দুদকের জালে ফেঁসে যাচ্ছেন ১৩ সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য এবং প্রকৌশলী।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মিরসরাই উপজেলার ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদে ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাস্তবায়িত অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) প্রকল্প এবং ২০১৭-১৮ থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরের ইউনিয়ন পরিষদের ১ শতাংশ করের প্রকল্পে এসব অনিয়ম হয়। দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দুটি খাতের ৯০টি প্রকল্পে মোট ১ কোটি ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৩ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ইজিপিপির ৩৫টি প্রকল্পে ৩০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা এবং ১ শতাংশ করের ৫৫টি প্রকল্পে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৩ টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে এসেছে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


