৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১:০৬ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

কাঙ্খিত ইলিশের প্রত্যাশায় সাগর- নদীতে নেমেছে ৫ লক্ষাধিক জেলে

সূত্র: Daily Probaha / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

প্রবাহ রিপোর্ট : চলতি মাসের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ‘মা’ ইলিশ ধরায় সরকারের জারি করা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার রাত ১২টায়। এ নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই শুক্রবার গভীর রাত থেকে উপকূলীয় জেলাগুলোর সাগর-নদীতে ইলিশ মাছ ধরতে নেমে পড়েছেন জেলেরা। ২২ দিনের অপেক্ষা শেষে গত এক সপ্তাহ যাবৎ উপকূলের জেলেরা ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তারা তাদের জাল,ট্রলার, নৌকা সারাইয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলো। সকল প্রস্তুতি শেষে এখানকার জেলেদের কাছে চলে আসে ইলিশ ধরার সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেন্দ্রক্ষণ। তারা ২৯ অক্টোবর রাত ১২টার পর থেকেই নদী ও সাগরে নেমে পড়েছেন।

বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, উপকূলীয় বিভাগের ৬টি জেলায় হাল নাগাদ নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৪ লক্ষ ২৫ হাজার ৯ জন; এরমধ্যে সমুদ্রগামী জেলেদের জেলেদের সংখ্যা হাল নাগাদ ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৯ জন। এছাড়াও অনিবন্ধিত জেলেদের সংখ্যা আরো লক্ষাধিক হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সব মিলিয়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর প্রায় ৫ লক্ষাধিক জেলে ইলিশ আহরণ করতে সাগর ও নদীতে নেমে পড়েছেন বলে জানা গেছে। উপকূলের জেলেরা আশা করছেন, অন্য সময়ের চাইতে এবার মৌসুমে পর্যাপ্ত ইলিশ আহরণ করে নিজেদের ধারদেনা পরিশোধ করে আরো লাভবান হতে পারবেন।

সরেজমিনে উপকূলীয় জেলা ভোলার সবচেয়ে বড় মৎস্য বন্দর চরফ্যাশনের শামরাজ মৎস্য বন্দরে গিয়ে দেখা গেছে, রাতের নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে এখন সরব হয়ে উঠেছে শামরাজ বন্দরের মাছের আড়তগুলো। রাতভর নদীতে আহরিত রুপালি ইলিশের পসরা বসেছে বন্দরের প্রতিটি আড়তে। ইলিশ বেচাকেনার ধুম লেগেছে। ২২ দিনের নীরব নিস্তব্ধ বন্দর ফের হয়ে উঠেছে কোলাহলমুখর।

মূল প্রতিবেদন: Daily Probaha

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর