১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

রাজশাহী বোর্ডের ৩৯ কলেজে শূন্য পাস, শতভাগ সফলতা ৯টিতে

সূত্র: Sonali Sangbad / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফলের দুই চরম বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে। বোর্ডে একদিকে যেমন ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেয়া কোনো পরীক্ষার্থীই পাসের মুখ দেখতে পাননি, অন্যদিকে ৯টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীই সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করেছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে ফল প্রকাশের সমসাময়িক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা যায়। বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘শূন্য পাস’ করা ৩৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১৭৩ জন (অন্যতম তথ্যমতে সর্বমোট ১৮৬ জন) শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, শতভাগ পাসের সুনাম অর্জন করা ৯টি প্রতিষ্ঠানের ৩৩৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই কৃতকার্য হয়েছেন। জিরো পাসের তালিকায় থাকা রাজশাহী জেলার তিনটি উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান হলো পুঠিয়ার বেলপুকুরিয়া উইমেন্স কলেজ, বাঘার তেঁতুলিয়া পিরগাছা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ এবং রাজশাহী কমার্স কলেজ। তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় অংশেই পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল অত্যন্ত নগণ্য। যেমন—বগুড়ার গাবতলীর তসলিম উদ্দিন তারাফদার কলেজ থেকে সর্বোচ্চ ৪৬ জন অংশ নিলেও নওগাঁর নিয়ামতপুরের শাংসইল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন, নাটোরের গুরুদাসপুরের বঙ্গবন্ধু সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিএম ইনস্টিটিউট থেকে ১২ জন, পাবনা সাঁথিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক টুকু কলেজ থেকে ১০ জন এবং নাটোর সদরের আবুল খায়ের কলেজ থেকে ৮ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই অকৃতকার্য হন।

এ ছাড়া নওগাঁর মান্দা এসসি মডেল পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজশাহী কমার্স কলেজসহ সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, জয়পুরহাট ও নাটোরের একাধিক কলেজ রয়েছে যেখানে ১ থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও কেউ পাস করতে পারেননি। ধারাবাহিকভাবে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে না পারা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বোর্ড প্রশাসন। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফফাত জেরিন জানান, শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর জন্য চিঠি পাঠানো হবে এবং তাদের ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিগত বছরগুলোতেও এ ধরনের খারাপ ফল করা কলেজগুলোকে বোর্ডে ডেকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছিল, যার ইতিবাচক ফল হিসেবে বিগতবারের ফেল করা অনেক প্রতিষ্ঠান এবার শূন্য পাসের অভিশাপ থেকে বেরিয়ে এসেছে।

মূল প্রতিবেদন: Sonali Sangbad

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর