৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১:০৬ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

আমির, আসিফ, বাট: তিন পাকিস্তানি ক্রিকেটারের পতন ও এক কলঙ্কিত অধ্যায়ের ১৫ বছর

সূত্র: Silkcity News / খেলা

সংবাদ থেকে

পাড়ার ক্রিকেটে ক্রিজ আঁকা হয় ইটের টুকরা বা সাদা চক দিয়ে। বোলার দৌড়ে এসে বল করেন। পা বোলিং ক্রিজে দাগের ওপাশে চলে গেলে আশপাশের সবাই একসঙ্গে চেঁচিয়ে ওঠে, ‘নো বল!’ ওভারস্টেপ হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিকেলের ঝগড়া সন্ধ্যা পর্যন্ত গড়ায়। ক্রিকেটের সবচেয়ে সহজ নিয়ম এটাই। দাগের ওপারে পা পড়লে ‘নো’।

নো বল মানে বাড়তি একটি রান। সঙ্গে একটি অতিরিক্ত বল। কখনো কখনো সেই নো বলের জন্য ব্যাটসম্যানকে আবার নতুন করে জীবনও দিতে হয়। বোলারের জন্য সেটি ভুল, আম্পায়ারের জন্য একটি সিদ্ধান্ত। আর দর্শকদের কাছে সামান্য বিরক্তির কারণ।

তবে ২০১০ সালের ২৬ আগস্ট লর্ডসে এমন তিনটি নো বল হয়েছিল, যেগুলো আর দশটা নো বলের মতো ছিল না। সেগুলো ছিল সাজানো। আগে থেকেই ঠিক করা। ক্রিকেটের মাঠে দাঁড়িয়ে জুয়াড়িদের সঙ্গে গোপন চুক্তির বাস্তবায়ন।

মূল প্রতিবেদন: Silkcity News

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর