টাইম-ট্রাভেল অস্ত্র মামলা, পর্ব-১: ৩৬৫ দিন আগেই তদন্ত আদেশ

সংবাদ থেকে
ঘটনা ঘটার, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কিংবা আলামত জব্দ হওয়ার ঠিক ৩৬৫ দিন আগেই তদন্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন—অন্তত রাষ্ট্রপক্ষের নিজের কাগজ তা-ই বলছে। কাগজের পাতায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারার মতো গুরুতর কথা আর বিশাল ফিরিস্তি লেখা আছে বলেই তো কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৬৬ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নং-৪৪/১৬)-এর জন্ম। এই সরকারি কাগজের প্রতিটি অক্ষর লিখেছেন রাষ্ট্রপক্ষের চৌকস কর্মকর্তারা, তৎকালীন ময়মনসিংহের এসপি মইনুল হোসেন ও ডিবি ওসি ইমারত হোসেন গাজীর আমলে। আসামিপক্ষ দৈনিক জাহান সম্পাদক শেখ মেহেদী হাসান নাদিমের একটি কলমের খোঁচা দেওয়ারও সুযোগ সেখানে ছিল না।
অথচ কী আশ্চর্য, রাষ্ট্রপক্ষের নিজের হাতে লেখা সেই ‘অভ্রান্ত’ নথির পাতাতেই, তাদের অজান্তে, বেরিয়ে এসেছে একের পর এক চমকপ্রদ সত্য।
পুলিশ দাবি করছে, মাসকান্দা বিসিক এলাকায় কথিত অস্ত্রের কারখানায় অভিযান ও আলামত জব্দ হয়েছে ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ (১৭/০১/১৬)। কিন্তু এজাহারের প্রথম পাতার বাঁ মার্জিনে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইন-চার্জ স্বাক্ষর করে এসআই মোঃ ফারুক আহম্মেদকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঠিক এক বছর আগে—‘১৭/১/১৫’ (১৭ জানুয়ারি ২০১৫) তারিখে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗





