১১ অক্টোবর ২০২৬, ২১:১৯ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিঢাকাজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামতসম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

পিতৃপক্ষ থেকে দেবীপক্ষ: আত্মিক প্রস্তুতি

সূত্র: Sarabangla / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

মহালয়া আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাতাসে এক অদৃশ্য সুবাস টের পাওয়া যায়। পিতৃপক্ষের শেষ দিনে তর্পণের মধ্য দিয়ে পূর্বপুরুষদের বিদায় জানিয়ে শুরু হয় মহাশক্তির আরাধনা, অর্থাৎ দেবীপক্ষের ক্ষণগণনা। মহালয়া মানেই কেবল পূজোর কাউন্টডাউন নয়; এটি একই সঙ্গে মনকে শান্ত করার এবং ঘরদোরকে নতুন আলোয় সাজিয়ে তোলার এক অপূর্ব সময়। পূজোর কেনাকাটার হড়োহড়ি বা মণ্ডপে ঘোরার ক্লান্তি শুরুর আগে, এই দিনটি আমাদের সুযোগ দেয় অন্দরমহল ও মনকে ছিমছামভাবে গুছিয়ে নেওয়ার।

উৎসবের ঠিক আগে মনটাকে একটু শান্ত করা জরুরি। মহালয়ার ভোরে রেডিও বা ডিভাইসে যখন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ বাজে, তখন তা শুধু কান জুড়ায় না, বরং মনের ভেতরে জমে থাকা সমস্ত ক্লান্তি ও নেতিবাচকতা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দেয়। এই বিশেষ দিনটিতে একটু সময় বের করে নিজের সঙ্গে কাটানো যেতে পারে। এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা হাতে নিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে শরতের রোদ বা হালকা হাওয়া উপভোগ করা মনের ভেতর এক ধরনের প্রশান্তি নিয়ে আসে। বছরের এই সময়টিতে নাড়ির টানে মন ঘরমুখী হয়, প্রিয়জনদের সঙ্গে না শেকড়ের যোগসূত্র আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে।

পিতৃপক্ষের শেষ দিনে তর্পণের মধ্য দিয়ে পূর্বপুরুষদের বিদায় জানিয়ে শুরু হয় মহাশক্তির আরাধনা

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর