ইকোপার্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে জীববৈচিত্র্যের ওপর

সংবাদ থেকে
বনের ভেতর দিয়ে হাঁটার পথ, একটা কৃত্রিম লেক, তাতে নৌকা ভাসানোর ব্যবস্থা, একটা ওয়াচ টাওয়ার আর কিছু বসার বেঞ্চ বাংলাদেশে ইকোপার্ক বললে সাধারণত মানুষের চোখে এই ছবিটাই ভেসে ওঠে। ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার একটা জায়গা, ছবি তোলার পটভূমি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটা বনভূমিকে সরকার যখন ইকোপার্ক ঘোষণা করে, তখন তার মূল উদ্দেশ্য কি আসলেই মানুষের বিনোদন, নাকি অন্য কিছু। উত্তরটা জানলে অনেকেই অবাক হবেন। কারণ কাগজে-কলমে ইকোপার্কের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য বিনোদন নয়, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ।
ইকোপার্ক শব্দটি এসেছে ইংরেজি ‘ইকোলজিক্যাল পার্ক’ থেকে। বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি এমন এক প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে তোলা সংরক্ষিত এলাকা, যেখানে জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব না ফেলেই সীমিত পরিসরে বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হয়। বাংলাপিডিয়ায় বর্ণিত ইকোপার্ক স্থাপনের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে প্রথমেই আছে হুমকির সম্মুখীন ও বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতির সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, দুর্লভ প্রজাতির বৃক্ষরোপণ, বিদ্যমান উদ্ভিদ ও প্রাণিবৈচিত্র্যের সংরক্ষণ, এবং দেশীয় প্রজাতির জিনগত ভান্ডার রক্ষা। ইকো-ট্যুরিজম বা শিক্ষা-গবেষণার সুযোগ তৈরি করাও এর একটা উদ্দেশ্য, কিন্তু সেটি প্রধান নয়, বরং সংরক্ষণের পরিপূরক একটি দিক মাত্র।
অর্থাৎ ইকোপার্কের নকশাতেই লেখা আছে, বিনোদন এখানে অতিথি, আর জীববৈচিত্র্য গৃহকর্তা। সমস্যা হলো, বাস্তবায়নের পর্যায়ে এসে এই সম্পর্কটা প্রায়ই উল্টে যায়।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


