১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:১৭ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিঢাকাজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামতসম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

ষষ্ঠী বিহিত পূজার মাধ্যমে শুভ সূচনা হলো দুর্গাপুজার

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭

প্রধান সংবাদ

Sarabangla বাংলা

ষষ্ঠী বিহিত পূজার মাধ্যমে শুভ সূচনা হলো দুর্গাপুজার

· বাংলাদেশ

ঢাকা: শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রথম প্রভাতে জাতীয় ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে দেবী ষষ্ঠীর আরাধনার মাধ্যমে শুভ সূচনা হয়েছে সনাতন ধর্মের বৃহত্তম উৎসবের। পুরোহিতের সুনির্দিষ্ট সংকল্প এবং মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়েই শুরু হয় সকালের ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠী বিহিত পূজার আনুষ্ঠানিকতা।

শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে স্থাপিত বেলতলায় সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হয় বিল্ববৃক্ষ বা বেলগাছ পূজার মূল আচার। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন ও জাগরণের সূচনা ঘটে বেলবৃক্ষে দেবীর আবাহনের মাধ্যমে। পূজোর বেদিতে গাধা ও চন্দ্রমল্লিকার হলদে-কমলা মালায় সাজানো মণ্ডপে তাম্র পাত্র , কাঁসার ঘণ্টি, শঙ্খ এবং পুষ্পাদানি সাজিয়ে বসেন পুরোহিতগণ। বেদিতে রাখা হয় পঞ্চপল্লব, আম্র পল্লব, আতপ চাল, নারকেল, ঘট এবং ফুল-তুলসী ও রক্তজবা। বেলতলায় দেবীর বিশেষ অর্ঘ হিসেবে নানা রকমের কাটা ফল, আপেল, আঙুর, বাতাবি লেবু, কামরাঙ্গা ও মিষ্টি নিবেদন করা হয়।

আচারের অংশ হিসেবে পুরোহিত পঞ্চপ্রদীপ জ্বালিয়ে ও কাঁসার ঘণ্টি বাজিয়ে বেদির উপাচার শুদ্ধ করেন। এরপর শঙ্খধ্বনি ও ঢাক-কাঁসরের বাদ্যে মুখরিত হয়ে ওঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। নারী-পুরুষ ভক্তবৃন্দ অঞ্জলি ও প্রার্থনার জন্য করজোড়ে বেদির সামনে সমবেত হন। অনেক ভক্তই হাত জোড় করে আম্রপল্লব ও ফুল ধারণ করে দেবীর কৃপা কামনায় ভক্তিভরে প্রণাম জানান।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ