
ওজন স্কেলে চরম অস্বস্তি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশনের (ওজন পরিমাপক স্কেল) কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ- সড়ক সুরক্ষার যুক্তিতে সীতাকুন্ডের এই ওজন স্কেলে কড়াকড়ি আরোপ করা হলেও দেশের অন্যান্য জাতীয় মহাসড়কে স্থাপিত ওজন স্কেলগুলো বছরের পর বছর ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব স্কেলে কোনো ধরনের যানবাহনের ওজন পরিমাপ করা হয় না।
একই দেশে দুই ধরনের পরিবহন নীতির প্রয়োগকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বছরের পর বছর। বিষয়টি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে বার বার তুলে ধরা হলেও কোন গুরুত্ব পাচ্ছে না। তবে স্কেলটি দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানিয়েছে, দেশের অন্য এলাকার ওজন স্কেল যেভাবে পরিচালিত হয় সীতাকুন্ডের স্কেলও একইভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের মোট আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগ পরিচালিত হয়। বন্দর থেকে খালাস হওয়া শিল্প কারখানার কাঁচামাল এবং রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকবাহী কন্টেইনার লরিগুলোকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়েই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সীতাকুন্ডের বড় দারোগাহাট ওজন স্কেলে এসে যানবাহনগুলোকে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗
