২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিঢাকাজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামতসম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

ফায়ার ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে তিন শতাধিক হোটেল-রিসোর্ট

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭

প্রধান সংবাদ

Suprobhat Bangladesh বাংলা

ফায়ার ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে তিন শতাধিক হোটেল-রিসোর্ট

· বাংলাদেশ

এক সময় মৌসুম নির্ভর ছিল কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসা। বিশেষ করে ডিসেম্বরের শুরু থেকে মার্চ- এপ্রিল পর্যন্ত জমজমাট থাকতো হোটেল, রিসোর্ট, কটেজসহ নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এখন মৌসুম বলে কিছু নেই। প্রতিদিনেই কক্সবাজারের নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগে পর্যটকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসেন কক্সবাজারে।

একপাশে পাহাড়, অন্যপাশে সাগর মধ্যখানে মেরিন ড্রাইভ সড়ক। পথ যেতে যেতে যেন পর্যটকদের মন জুড়িয়ে যায়। তার অপার সৌন্দর্য, হিমছড়ির ঝর্ণা, পাথুরে বীচ ইনানী,পাটুয়ারটেক, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, আদিনাথ মন্দির, রামুর বৌদ্ধ বিহার, সাগরের লোনাজলে গা ভাসানো, বালিয়াড়ির আড্ডা ইত্যাদি যেন পর্যটকদের মনকে প্রফুল্ল করে তুলে। তাই কক্সবাজার এখন প্রতিদিনই পর্যটক মুখর।

অভিজ্ঞজনেরা জানান, কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজের সংখ্যাও। পর্যটকদের থাকার জন্য একের পর এক ভবন তৈরি হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও বৈধতার চিত্র উদ্বেগজনক। পর্যটন নগরীতে হোটেল-রিসোর্টসহ ছয় শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠান আছে।

মূল প্রতিবেদন: Suprobhat Bangladesh

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ