রামপালে সামাজিক বনায়নে নেই কোন কর্মসূচী
নিজস্ব সংবাদদাতা,ফয়লাহাট(রামপাল)বাগেরহাট ঃ লোকবল সংকটের দোহাই দিয়ে রামপালে বন্ধ রয়েছে সামাজিক বনায়ন কর্মসুচী। এ কারনে ধীরেধীরে পিছিয়ে পড়ছে সামাজিক বনায়নে এ উপজেলা। জনবল বলতে আব্দুর রাজ্জাক নামে একজন বন প্রহরী ছাড়া আর কোনো জন বল নেই। নেই সেই সাথে বনায়ন কার্যালয়ও।এমন অবস্থার মধ্যে চারা রোপন ছাড়াই আরো একটি মৌসুম পার করলো রামপাল উপজেলা সামাজিক বনবিভাগ।
জানা গেছে এক সময় সাসাজিক বনবিভাগের এ উপজেলায় জনবল, কার্যালয়, বনায়ন কর্মসুচী সবই ছিল। বিগত সরকারের শাসনামল থেকে এ উপজেলায় সামাজিক বনায়নের দৈন দশা শুরু হয়। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধওে মুলত এ উপজেলায় সমাজিক বনায়ন কর্মসুচীর তেমন কোনো কার্যক্রম নেই। জনবল হ্রাস পেতে পেতে এখন একজনে বনপ্রহরীতে এসে দাড়িয়েছে। সেই একজন আবার এ উপজেলার পাশাপাশি মোংলা উপজেলারও দায়িত্ব পালন করছেন। এমন অবস্থায় এ উপজেলায় সামাজিক বনায়নের বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। মৌসুমের পর মৌসুম কোনো বনায়ন কর্মসুচী না থাকায় ওই বনপ্রহরীর রামপাল- মোংলায় আসা- যাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।এমন অবস্থায় নুতন বনায়ন কর্মসুচী হাতে নেয়া দুরের কথা পুরাতন বনায়ন রক্ষা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বাগেরহাট সামাজিক বন বিভাগের একটি সুত্র জানায় রামপাল উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে জনবল না থাকায় নুতন করে কোনো বনায়ন কর্মসুচী হাতে নেয়া যাচ্ছে না। এমন জনবল শূন্য অবস্থায় বিগত ২০২৩ ও ২০২৪ সালে কিছ ুজায়গায় বনায়ন করা হয়। এরপর ২০২৫ ও ২০২৬সালে কোনো বনায়ন কর্মসুচী হাতে নেয়া হয়নি। এ উপজেলায় বনায়নের সম্ভাবনা থাকলেও জনবলের অভাবে তা করা সম্ভব হচ্ছেনা। মোংলা- ঘষিয়া খালি আন্তর্জাতিক নৌ-চ্যানেলের তীর সহ উপজেলার কয়েকটি নদী খালের তীর পরিদর্শন করা হয়েছে। বনায়নের উপযুক্ত সম্ভাবনা থাকলেও কেবল জনবলের অভাবে বনায়ণ কর্মসুচী হাতে নেয়া যাচ্ছে না। এতে করে এ উপজেলা ধীরে ধীরে বনায়ন থেকে পিছিয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে জরবল সংকটের কারনে উপকুলীয় এ উপজেলায় বনায়ন কর্মসুচী হাতে না নিতে পারায় জলবায়ু ঝুকির মুখে পড়ছে সাধারন মানুষ।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗
