২৩ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৩৯ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

লাখাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা জিয়া কলেজ রোডের বেহাল দশা

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫

প্রধান সংবাদ

Habiganj Express বাংলা

লাখাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা জিয়া কলেজ রোডের বেহাল দশা

· বাংলাদেশ

লাখাই প্রতিনিধি ॥ লাখাই মুক্তিযোদ্ধা জিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষদের। রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। দেখা গেছে জমি থেকে মাটি বিক্রির অসংখ্য ট্রাক্টরের চলাচলের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটিতে কোন প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পাচ্ছে না বৃষ্টি হলে রাস্তায় কাদা পানি লেগে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বামৈ রোড থেকে কলেজ পর্যন্ত সংযোগকারী এই সড়কটির ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও পথচারী চলাচল করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এবং মাটিবাহী ট্রাক্টরের অবাধ বিচরণে সড়ক জুড়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি জুড়ে হাঁটুসমান কাদা জমে যায়, যা চলাচলের ক্ষেত্রে মরণফাঁদে পরিণত হয়। এর ফলে প্রায় প্রতিদিনই শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। সময়মতো ক্লাসে পৌঁছাতে না পেরে বিঘ্নিত হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক পড়াশোনাও।

এ বিষয়ে লাখাই মুক্তিযোদ্ধা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক মোহাম্মদ হামজা মাহমুদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, মাঠ থেকে মাটি বহনকারী ট্রাক্টরের অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত চলাচলই এই রাস্তাটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মূল কারণ। বর্ষার মৌসুমে ট্রাক্টরের ভারী চাকার পিষ্টে রাস্তায় হাঁটুসমান কাদা ও গর্তের সৃষ্টি হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে ট্রাক্টর চলাচলের ঘর্ষণে অবশিষ্ট পাকা রাস্তাও পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় এবং রাস্তায় জমে থাকা মাটি শুকিয়ে প্রচুর ধুলা ও বালির সৃষ্টি হয়, যা চলাচলের পরিবেশকে চরম বিষিয়ে তোলে। এর দ্রুত প্রতিকার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

মূল প্রতিবেদন: Habiganj Express

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ