
সাঁতার হোক জীবন বাঁচানোর শিক্ষা
নদীমাতৃক বাংলাদেশে পানির অভাব নেই। আছে বিস্তীর্ণ সমুদ্রসৈকত, নদী, খাল-বিল ও অসংখ্য জলাশয়। অথচ পানির দেশে বেড়ে ওঠা অনেক শিশু, কিশোর ও তরুণই জানে না সাঁতার। ফলে আনন্দভ্রমণে গিয়ে কিংবা পানির কাছাকাছি অসতর্ক মুহূর্তে প্রাণ হারাতে হচ্ছে অনেককে। অথচ সাঁতার শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি জীবন রক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। আজ ২৪ অক্টোবর বিশ্ব সাঁতার দিবস। দিবসটির মূল বার্তা হতে পারে-সাঁতার শিখুন, নিরাপদ থাকুন, জীবন বাঁচান।
সাঁতার শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। পানির প্রতিরোধের বিপরীতে শরীরের প্রায় সব পেশি সক্রিয় থাকায় পেশিশক্তি ও সহনশীলতা বাড়ে। হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা, ফুসফুসের সক্ষমতা এবং শরীরের নমনীয়তা উন্নত করতেও সহায়তা করে সাঁতার। একই সঙ্গে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের ওপর চাপ কমানো এবং মানসিক প্রশান্তি অর্জনে ভ‚মিকা রাখে। তবে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার চিকিৎসায় সাঁতারের উপকারিতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে; প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অনুশীলন করা উচিত।
সাঁতারের সঙ্গে মানুষের পরিচয় জন্মেরও আগে। মায়ের গর্ভে ভ্রুণ অ্যামনিওটিক তরলে অবস্থান করে। তবে গর্ভের সেই ভাসমান অবস্থাকে সাঁতার শেখার সমতুল্য ভাবার সুযোগ নেই। বাস্তব জীবনে পানিতে নিরাপদ থাকার জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষণ, সচেতনতা ও উপযুক্ত তত্ত্বাবধান।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

