২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৭ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

ভগ্নদশায় রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, সংকট চিকিৎসকের

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬

প্রধান সংবাদ

Sarabangla বাংলা

ভগ্নদশায় রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, সংকট চিকিৎসকের

· বাংলাদেশ

রাজশাহী: চিকিৎসক সংকট, অকেজো যন্ত্রপাতি, ওষুধের ঘাটতি আর জরাজীর্ণ অবকাঠামো নিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে চলছে রাজশাহীর ১৫০ শয্যার বক্ষব্যাধি হাসপাতাল। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এই চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রতিদিন রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন। তবে সেবার পরিধি বাড়লেও বাড়েনি চিকিৎসকের পদ, যার ফলে বহির্বিভাগ, আন্তঃবিভাগ ও ২৪ ঘণ্টার জরুরি সেবা দিতে গিয়ে চরম হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের সেবা চালুর বিষয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. শারিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এখানে মোট চিকিৎসকের পদ ১০টি, যার মধ্যে সিনিয়র কনসালট্যান্টের পদটি শূন্য। ছয়জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে বহির্বিভাগের রোগী দেখা ছাড়াও ২৪ ঘণ্টার জরুরি সেবা চালু রাখতে হয়। চিকিৎসক সংকট ও সেবার পরিধির সাথে পদের সামঞ্জস্য না থাকায় নিয়মিত সেবা দিতে আমাদের ওপর চরম চাপ তৈরি হচ্ছে। পদের সংখ্যা বাড়ানো গেলে রোগীরা আরও মানসম্মত সেবা পেতেন।’

চিকিৎসক সংকটের পাশাপাশি রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে ভোগান্তি বেড়েছে পরীক্ষা-নিরীক্ষায়। ল্যাবরেটরির প্রধান অ্যানালাইজার মেশিন নষ্ট থাকা প্রসঙ্গে এক ল্যাব সাপোর্ট স্টাফ বলেন, ‘এখানে আগে রোগীদের নানা ধরনের পরীক্ষা করা হতো। কিন্তু প্রায় পাঁচ-ছয় মাস ধরে ল্যাবের মূল মেশিনে সমস্যা থাকায় শুধু আরবিএস ও ইলেক্ট্রোলাইট ছাড়া অন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলো বন্ধ রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে রোগীদের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে অতিরিক্ত খরচে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে।’

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ