২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

ভারতের ৪ রাজ্যে একটি আসনও জিতেনি কংগ্রেস, ভরাডুবির পর কটাক্ষ মোদির

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:১৯ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:১৯

প্রধান সংবাদ

Dainik Purbokone বাংলা

ভারতের ৪ রাজ্যে একটি আসনও জিতেনি কংগ্রেস, ভরাডুবির পর কটাক্ষ মোদির

· আন্তর্জাতিক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিশানায় কংগ্রেস। চার রাজ্যের বিধান পরিষদ (MLC) নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবি নিয়ে বিরোধী দলকে কটাক্ষ করলেন তিনি। ব্যালট পেপারে ভোট হওয়ার পরেও কংগ্রেসের আসন জিততে না পারার বিষয়টি তুলে ধরে রাজনৈতিক খোঁচা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর পোস্টে ছিল ইমোজিও। বিরোধী দলটির কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতে প্রধানমন্ত্রী একটি ‘চিন্তামগ্ন মুখের’ (thinking face) ইমোজি ব্যবহার করেছেন। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “৪টি বড় রাজ্য – উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার এবং কর্নাটকের ২৮টি আসনে এমএলসি নির্বাচন। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বলুন তো কংগ্রেস কয়টি আসন জিতেছে?”

এই ‘চিন্তামগ্ন মুখের’ ইমোজিটি—যা অনেক সময় ‘মনোকল বা এক চোখের চশমা পরা মুখ’ হিসেবেও পরিচিত—সাধারণত কৌতূহল, সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ, প্রশ্নবোধক দৃষ্টিভঙ্গি বা সংশয় প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এই ক্ষেত্রে, বিধান পরিষদ নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবি বা কোনো আসন না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাদের বিদ্রূপ করতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী এই ইমোজিটি ব্যবহার করেছেন।

উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকে বিধান পরিষদের মোট ২৮টি আসনে নির্বাচন ঘিরে কংগ্রেসের ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ১২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এর মধ্যে চারটি আসন আগে তাদের দখলে ছিল। কিন্তু এবারের নির্বাচনে কোনও আসনেই জয় পায়নি দলটি। সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে কর্নাটকে। সেখানে ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও চারটি আসনের একটিতেও জিততে পারেনি কংগ্রেস। বিজেপি তিনটি আসন ধরে রাখে এবং তাদের সহযোগী জেডি(এস) বেঙ্গালুরু টিচার্স কেন্দ্রটি কংগ্রেসের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbokone

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ