২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:২২ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

রূপসা খেয়াঘাটে টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২০:১৭ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ২০:১৭

প্রধান সংবাদ

Dainik Purbanchal বাংলা

রূপসা খেয়াঘাটে টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ

· অপরাধ

এইচ এম রোকন, রূপসা (খুলনা) : খুলনা মহানগরীর অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার রূপসা খেয়াঘাটে যাত্রী পারাপারে ইজারাদারের নিয়োজিত লোকজনের সিন্ডিকেট ও প্রকাশ্য অনিয়মের কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত টোল আদায়, রাতে অতিরিক্ত টাকা দাবি এবং প্রতিবাদ করলে যাত্রীদের লাঞ্ছিত করার ঘটনা এখন রূপসা ঘাটের নিত্যদিনের চিত্র। ঘাটটি খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) থেকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর অধীনে যাওয়ার পর প্রবেশ ফি এক লাফে দ্বিগুণ করা হলেও যাত্রী সেবার মান বাড়েনি, উল্টো বেড়েছে হয়রানি।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দিনের বেলা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার পাশাপাশি সন্ধ্যা নামলেই ঘাটের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। বিশেষ করে রাত ১০টার পর কোনো সরকারি টোল চার্টের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো ভাড়া দাবি করা হয়। আগে যেখানে কেসিসির অধীনে জনপ্রতি প্রবেশ ফি ছিল ১ টাকা, তা এখন বিআইডব্লিউটিএ-এর অধীনে ২ টাকা করা হয়েছে। সাইকেল আরোহীদের কাছ থেকে ২ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ট্রলারে মোটরবাইক পারাপারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি আদায় করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন।ঘাটে নিয়মিত যাতায়াতকারী খুলনা সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের শিক্ষার্থী নাসরিন সুলতানা জানান, প্রতিদিন রূপসা নদী পার হয়ে আমাদের শহরে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু ঘাটের স্টাফদের ব্যবহার এত খারাপ যে কিছু বলা যায় না। পারাপারের টিকিটের দাম বেশি চাইলে বা ইজারার রসিদ দেখতে চাইলে তারা দলবদ্ধ হয়ে যাত্রীদের সাথে মারমুখী আচরণ করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মালামাল পারাপারে কোনো সুনির্দিষ্ট চার্ট না থাকায় ইজারাদারের কর্মচারীরা সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে ইচ্ছেমতো অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। রূপসা উপজেলার নৈহাটি গ্রামের বাসিন্দা পেশায় রাজমিস্ত্রী আব্দুর রহমান অভিযোগ করেন, ঘাটে একটি ছোট টেবিল ফ্যান পার করতে ৫০ টাকা এবং হাঁস-মুরগি বা ছোট আসবাবপত্র পারাপারেও ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbanchal

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ