
ঢাকা-যশোর প্রভাতী ট্রেনের দাবিতে এক মাসের আল্টিমেটাম
যশোর থেকে ঢাকায় প্রভাতী ট্রেনসহ ছয় দফা দাবিতে ফের আন্দোলনে নামছে যশোরবাসী।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) যশোর কালেক্টরেট চত্বরে অবিলম্বে প্রভাতী ট্রেনসহ ছয় দফা দাবিতে প্রতীকী রেল অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে বৃহত্তর যশোর রেলযোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি। প্রতীকী রেল অবরোধ কর্মসূচি থেকে নেতৃবৃন্দ বলেন, রেলের জন্য তারা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করছেন, এক মাসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে তারা প্রতীকী নয়, যশোর জংশনে অবরোধ করে রেল চলাচল বন্ধ করে দেবেন।তাদের ৬ দফা দাবিগুলো হলো- অবিলম্বে বেনাপোল-যশোর-ঢাকা ও দর্শনা-যশোর-ঢাকারুটে প্রভাতি আন্তঃনগর ট্রেন চালু, সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে সব আন্তঃনগর ট্রেনে পর্যাপ্ত সাধারণ বগি যুক্ত করা, দর্শনা-খুলনা রুট এবং বেনাপোল-যশোর রুটে দ্রুত ডবল রেল লাইন স্থাপন, ট্রেনের সাধারণ ভাড়া বাস ভাড়া থেকে কম রাখা, নিবন্ধনের বাইরে টিকিটের ব্যবস্থা এবং সিনিয়র সিটিজেনদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিকল্প টিকিট প্রাপ্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়াও আন্তঃনগর ট্রেনে কৃষিপণ্য, ফুল, সবজি, মাছ পরিবহনের বগি সংযুক্ত করতে হবে।
এসময় বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী রুহুল আমিন বলেন, প্রথম থেকেই যশোরবাসী দাবি করে আসছে ভোরবেলা যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে একটি ‘প্রভাতি ট্রেন’ দেওয়া হোক। যাতে সাধারণ মানুষ নিজ বাড়ি থেকে রওনা দিয়ে ঢাকায় গিয়ে অফিস বা প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে পারেন। আবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে একটি ফিরতি ট্রেন দেওয়া হোক, যাতে কাজ শেষে মানুষ নিজ ঘরে ফিরে ঘুমাতে পারেন।তিনি আরও বলেন, বেনাপোল, যশোর, মোবারকগঞ্জ এবং কোটচাঁদপুর থেকে প্রতিদিন ঢাকার উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ যাত্রী যাতায়াত করেন। এখানে রেলের ট্রিপ বাড়ালে বাংলাদেশ রেলওয়ে তথা সরকার আর্থিকভাবে বিপুল লাভবান হবে। কারণ রেল যোগাযোগ শুধু নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধবই নয় এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচও সড়কপথের চেয়ে অনেক কম।
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗