
প্রভাষক পদেই অযোগ্য, তবু নামের আগে ‘অধ্যাপক’, প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে বিতর্কে অর্পণ
সনদ জালিয়াতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন তিন বছর আগে। সেই ব্যক্তিই গত ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দিয়েছেন ‘অধ্যাপক’ পরিচয়ে। তিনি অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী। রাউজান সরকারি কলেজের প্রভাষক পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া অর্পণ কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর সামনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বরখাস্ত হওয়ার পরও তাঁর নামের আগে ‘অধ্যাপক’ পদবি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা করছেন অনেকে। এ ঘটনায় খোলামেলা ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারণ সনাতনীদের অনেকে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালের ১ এপ্রিল এমপিওভুক্ত হন অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী। তাঁর ইনডেক্স নম্বর ছিল ৬১৭৭০৫। বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। এরপর ২০১৯ ও ২০২১ সালে দুটি এবং ২০২২ সালে আরও দুটি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অর্পণ কান্তির নিয়োগপ্রক্রিয়ার মূল্যায়নপত্রের সন্ধান পাননি তদন্তকারীরা। নিয়োগসংক্রান্ত রেজুলেশনেও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা ছিল না। তদন্তে তাঁর সনদ জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। সর্বশেষ তিনি রাউজান সরকারি কলেজে প্রভাষক পদে কর্মরত ছিলেন। সনদ জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ার পর প্রভাষক পদে চাকরির যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে অর্পণ কান্তির। ২০২৩ সালের মার্চে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗
