২ নভেম্বর ২০২৬, ১৯:২২ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

পুরোনো ফুটওভার ব্রিজগুলোর ‘পরিণতি’ চান না নগরবাসী

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩

প্রধান সংবাদ

Dainik Purbokone বাংলা

পুরোনো ফুটওভার ব্রিজগুলোর ‘পরিণতি’ চান না নগরবাসী

· বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম নগরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা নিউমার্কেট মোড়। এক পাশে জহুর হকার্স মার্কেট, মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বিভিন্ন বিপণিবিতান। অন্য পাশে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে রিয়াজউদ্দিন বাজার। প্রতিদিন দুই পাশের মধ্যে সড়ক পারাপার হতে হয় হাজারো মানুষকে। পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে সেখানে বহু বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল একটি ফুটওভার ব্রিজ। শুরুতে পথচারীরা সেটি ব্যবহারও করতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্রিজটি এখন প্রায় পরিত্যক্ত।

একসময় ব্রিজটির দুই পাশের রেলিংয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ড লাগানো শুরু হয়। এতে বাইরে থেকে ভেতরের অংশ দেখা বন্ধ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে সেখানে জমতে থাকে ময়লা-আবর্জনা ও দোকানিদের ফেলে রাখা জিনিসপত্র। একপর্যায়ে ব্রিজটিতে আশ্রয় নিতে শুরু করেন ছিন্নমূল মানুষ। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর এটি কার্যত অন্ধকারে ডুবে থাকে। এই সুযোগে ছিনতাইসহ নানা অপরাধের ঘটনাও ঘটে। ফলে নিরাপদে সড়ক পারাপারের জন্য নির্মিত ব্রিজটিই এখন অনেকের কাছে এড়িয়ে চলার জায়গা।

প্রায় একই চিত্র নগরের মুরাদপুর এলাকার ফুটওভার ব্রিজেও। ব্যস্ততম এই ব্রিজে সাম্প্রতিক সময়ে ছিন্নমূল মানুষের বসবাস বেড়েছে। রাতের দিকে অপরাধীদের আনাগোনার অভিযোগও রয়েছে। এতে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুরোনো ফুটওভার ব্রিজগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দামপাড়া এলাকার ব্রিজটি। নগর পুলিশের কার্যালয়, পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের গেটসংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এটি ব্যবহার করেন। কিন্তু সেখানেও ছিন্নমূল মানুষের অবস্থান দেখা যায়। গতকাল ব্রিজটিতে গিয়ে দেখা যায়, এসএমসি ওরস্যালাইনের একটি বিশাল বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। ভেতরের দিকেও সাঁটানো হয়েছে বিভিন্ন পোস্টার। এতে ব্রিজের একাংশ বাইরে থেকে প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। ফলে ভেতরে কী ঘটছে, তা বাইরে থেকে সহজে বোঝার উপায় নেই।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbokone

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ