১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দেওয়া আফিয়া মাসুমা পেল এ গ্রেড।

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:১৩ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:১৩

প্রধান সংবাদ

Daily Probaha বাংলা

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দেওয়া আফিয়া মাসুমা পেল এ গ্রেড।

· বাংলাদেশ

যশোর প্রতিনিধি ঃ এইচএসসি পরীক্ষার যখন ফেলের সংখ্যা বেশি, তখন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় বসা বেনাপোলের আফিয়া মাসুমা এ গ্রেড পেয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। শোককে শক্তিতে পরিণত করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মাসুমার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত রেজাল্টে দেখা যায় আফিয়া মাসুমা এ গ্রেডে পেয়েছে। যশোরের শার্শা উপজেলার উপজেলা কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় মাসুমা। মাসুমা বেনাপোল পোর্ট থানার নামাজগ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছোট মেয়ে। মাসুমার বাবা আব্দুস সামাদ (৬৫) ছিলেন বেনাপোলের মেসার্স তাজমহল ট্রান্সপোর্ট ও হাজী মুছা করিম এন্ড সন্স এর সত্ত্বাধিকারী। তিনি একজন বিশিষ্ট আমদানিকারকও ছিলেন।

পরিবার ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের ২৮ জুলাই সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে স্টোক জনিত কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তার বাবা। রাতেই তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় বাসায়। শোকে বিহ্বল স্বজনেরা নিচ্ছেন লাশ দাফনের প্রস্তুতি। এমন অবস্থায় বাবার লাশ বাড়িতে রেখে আফিয়া মাসুমা ২০২৬ সালের জুলাই মাসে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার কেন্দ্র ছিল বেনাপোল কলেজে। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে ফিরে বাবার লাশ দাফনে অংশ নেয় সে। বাবার মৃত্যুর পর মাসুমা ভেঙে পড়লেও স্বজনদের কথায় এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যায় সে। তার পরীক্ষার কারণে মরদেহ দাফনের সময়ও বৃদ্ধি করা হয়। তাকে না দেখিয়ে যেন দাফন করা হয় সে কথাও সে বলে যায় সে। বাবা হারানোর শোক নিয়েই পরবর্তী পরীক্ষাগুলো শেষ করে মাসুমা।

মূল প্রতিবেদন: Daily Probaha

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ