
বস্তিবাসীদের জন্য পৃথক বাজেট ও স্থায়ী আবাসনের সুপারিশ
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে শহরের বস্তিতে আশ্রয় নেওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, স্থায়ী আবাসন, মৌলিক নাগরিক সেবা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের সদস্যরা। এ জন্য নগর দরিদ্রদের কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর পরিকল্পনা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি তহবিল (লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড) থেকে তাদের অধিকার নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও নগর দরিদ্র মানুষের সংকট’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এসব দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) ও চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশন (সিডব্লিউএফ) আয়োজিত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বারসিকের পরিচালক মো. কামরুজ্জামান। বারসিকের সমন্বয়ক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় সংলাপে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন সিডব্লিউএফ-এর চেয়ারম্যান শাহ ইসরাত আজমেরী। আলোচনায় অংশ নেন সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কোষাধ্যক্ষ আমিনুল রসুল, কাপের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রেবেকা সান-ইয়াত, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক মিহির বিশ্বাস, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, বস্তিবাসী সুরক্ষা কমিটির সভাপতি হোসনে আরা বেগম রাফেজা প্রমূখ।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗



