
এত নজরদারির পরও থামছে না সোনা চোরাচালান
রানওয়ে থেকে হ্যাঙ্গার, অ্যাপ্রন থেকে ইমিগ্রেশন, এমনকি কাস্টমসের গ্রিন চ্যানেল বিমানবন্দরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রয়েছে সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরার নজরদারি। চোরাচালান ঠেকাতে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক স্ক্যানার ও গোল্ড ডিটেকশন মেশিন।
যাত্রীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব পালন করছেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা। এত নিরাপত্তাব্যবস্থার পরও থামানো যাচ্ছে না সোনা চোরাচালান। প্রতিনিয়ত নতুন কৌশলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশে ঢুকছে সোনার চালান।
এক প্রতিবেদনে বাংলা ট্রিবিউন জানায়, সর্বশেষ গত ২৮ অক্টোবর দুই চীনা যাত্রীর কাছ থেকে ১২ কেজি পেস্ট আকারের সোনা উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেনটিভ টিম।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

