৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৪:৫২ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

নগরীর মশিয়ালীতে চাঁদা দাবি ও বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২৩:৩৭ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২৩:৩৭

প্রধান সংবাদ

Daily Probaha বাংলা

নগরীর মশিয়ালীতে চাঁদা দাবি ও বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

· বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার : নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন মশিয়ালী এলাকায় চাঁদা না পেয়ে এক নারী ও তাঁর সহযোগীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নূর নাহার ও আবু জাফর বাদী হয়ে খানজাহান আলী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬ মাস আগে নূর নাহার মশিয়াখালী এলাকায় একটি বাড়ি ক্রয় করেন। বাড়ি ক্রয়ের পর থেকেই এলাকার মৃত আইয়ুব মোল্যার পুত্র শরিফুল মোল্লা (৪৭) ও মৃত সোলায়মান গাজীর পুত্র রেজা গাজী(৩৮) সহ অজ্ঞাতনামা ২৫-৩০ জন তাঁদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে এবং বিভিন্নভাবে বিরক্ত করছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং ভুক্তভোগীদের বাড়িতে আসা লোকজনের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে। অভিযোগসূত্রে আরও জানা যায় গতকাল সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ভুক্তভোগী আবু জাফর বাড়িটিতে আসলে অভিযুক্তরা সেখানে চড়াও হয়। এ সময় শরিফুল মোল্যা ও মোা: রেজা গাজীর নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি দল আবু জাফরকে লাঞ্ছিত ও মারধর করে এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এছাড়া বাসা থেকে বের হলে ভুক্তভোগীর দুই ছেলে এসএম ইনজামুল আলম আসিফ ও এসএম জোবায়েদ আলমকেও তারা বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। শুধু তাই নয়, ভুক্তভোগীদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং মিথ্যা অপবাদ দিয়ে এলাকায় শান্তিতে বসবাস করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভুক্তভোগীরা খানজাহান আলী থানার পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মূল প্রতিবেদন: Daily Probaha

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ