৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

অমর হয়ে থাকা সুরের যাদুকর এন্ড্রু কিশোর

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৬:৪৬ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৬:৪৬

প্রধান সংবাদ

Sarabangla বাংলা

অমর হয়ে থাকা সুরের যাদুকর এন্ড্রু কিশোর

· বিনোদন

কোনো কোনো কণ্ঠ শুধু সময়ের সীমানায় আবদ্ধ থাকে না, বরং তা পরিণত হয় মানুষের প্রাণের গভীরতম অনুভূতির চিরন্তন ঠিকানায়। সুদীর্ঘ সংগীতযাত্রায় বাংলা চলচ্চিত্রের পর্দায় ও শ্রোতাদের হৃদয়ে ঠিক এভাবেই এক অনন্য আসনে চিরস্থায়ী হয়ে আছেন আমাদের প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর। ১৯৫৫ সালের আজকের এই দিনে (৪ নভেম্বর) রাজশাহীর মাটিতে জন্ম নেওয়া এই ক্ষণজন্মা শিল্পী তার জাদুকরী গায়কী দিয়ে বাংলা গানকে সমৃদ্ধ করেছেন অনন্য উচ্চতায়। ব্যক্তিগত জীবনের নানা চড়াই-উতরাই, মায়ের প্রেরণা আর সুরের প্রতি আজন্ম টানে গড়ে ওঠা তার সেই বর্ণাঢ্য জীবন যেন এক রূপকথার গল্পের মতোই অবর্ণনীয়।

রাজশাহীর বুলনপুর মিশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষক মা মিনু বাড়ৈ ও বাবা ক্ষীতিশ চন্দ্র বাড়ৈয়ের কোলে বেড়ে ওঠা ছোট্ট কিশোরের সংগীতের প্রথম পাঠ শুরু হয়েছিল মায়ের হাত ধরেই। মায়ের হৃদয়ে প্রিয় শিল্পী কিশোর কুমারের প্রতি অগাধ ভালোবাসার অনুপ্রেরণাতেই ছেলের নাম রাখা হয়েছিল ‘কিশোর’। রাজশাহীর আবহাওয়ায় বড় হয়ে ওঠা এই তরুণ পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর সুরের জাদুকর আব্দুল আজিজ বাচ্চুর কাছে তালিম নেওয়ার সুবাদে নজরুলসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, আধুনিক গান, লোকসংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটে তার কণ্ঠে। ফলস্বরূপ, রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে বাংলা সংগীত জগতের এক সোনালী অধ্যায়ের সূচনা করে।

সাতের দশকের শেষভাগে চলচ্চিত্রের গানে পা রেখেই নিজের জাত চেনান এই শিল্পী। ১৯৭৭ সালে আলম খানের সুরে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রের ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে রুপালি পর্দায় তার প্লেব্যাক অভিষেক ঘটে। এর পরপরই বাদল রহমান পরিচালিত ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ ছবিতে ‘ধুম ধাড়াক্কা’ এবং ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ জে মিন্টুর ‘প্রতিজ্ঞা’ চলচ্চিত্রের ‘এক চোর যায় চলে’ গানটি গেয়ে তিনি অগণিত শ্রোতার মনে চিরস্থায়ী আসন করে নেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক চলচ্চিত্রে নিজের কণ্ঠের জাদুতে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা সিনেমার অপরিহার্য এক নির্ভরতার প্রতীক।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ