৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:২৫ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

প্রবৃদ্ধি বাড়ে, মানুষের স্বস্তি কোথায়

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৬:৫৫ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১৬:৫৫

প্রধান সংবাদ

Sarabangla বাংলা

প্রবৃদ্ধি বাড়ে, মানুষের স্বস্তি কোথায়

· বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক অগ্রগতি বোঝাতে প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, উৎপাদন, রপ্তানি ও অবকাঠামো উন্নয়নের কথা বলা হয়। কিন্তু এই অগ্রগতিতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে, তার হিসাব কোথায়? আয় বাড়লেও যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হয়, কর্মসংস্থান থাকলেও চাকরির নিরাপত্তা না থাকে, আর ভবিষ্যৎ কাটে অনিশ্চয়তায় তবে প্রবৃদ্ধির সুফল কতটা মানুষের কাছে পৌঁছেছে?

প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন, কিন্তু সেটিই জীবনমানের পূর্ণাঙ্গ মাপকাঠি নয়। খাদ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের ব্যয় সামলাতে গিয়ে অনেক পরিবারকে প্রতিনিয়ত হিসাব কষতে হয়। সামান্য অসুস্থতা কিংবা অপ্রত্যাশিত খরচও তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নড়বড়ে করে দেয়। আয় থাকা আর নিশ্চিন্তে বাঁচার সামর্থ্য থাকা এক বিষয় নয়।কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও শুধু চাকরির সংখ্যা দিয়ে বাস্তবতা বোঝা যায় না। অনিশ্চিত বেতন, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, চাকরি হারানোর ভয় ও অসম্মানজনক কর্মপরিবেশ কর্মজীবী মানুষের স্বস্তি কেড়ে নেয়। অন্যদিকে, যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ না পাওয়া তরুণদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে অনিশ্চিত করে তোলে। কর্মসংস্থান তাই শুধু আয়ের উৎস নয়; এটি মর্যাদা ও নিরাপত্তার ভিত্তি।

শহুরে জীবনেও উন্নয়নের সঙ্গে স্বস্তির ব্যবধান স্পষ্ট। যানজট, আবাসনসংকট, দূষণ ও দুর্বল নাগরিক সেবা মানুষের সময়, অর্থ ও কর্মক্ষমতা নষ্ট করে। চিকিৎসা পেতে হয়রানি কিংবা নিরাপদ গণপরিবহনের অভাবও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায়। এসব ক্ষতির পূর্ণ হিসাব অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে না থাকলেও মানুষের জীবনে এর প্রভাব প্রতিদিন দৃশ্যমান। উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়নকে সাফল্যের মাপকাঠি ধরা হলেও নাগরিকের ভোগান্তি কতটা কমল, তা প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়। সড়ক নির্মিত হলেই সাফল্য নিশ্চিত হয় না; যাতায়াতের সময় ও দুর্ভোগ কমেছে কি না, সেটিও দেখতে হবে। সেবা ডিজিটাল হলেই উন্নয়ন সম্পন্ন নয়; নাগরিকের হয়রানি কমেছে কি না, তার জবাবও দিতে হবে।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ