
১৪৮ বছরেও বি-গ্রেডেই আছে রংপুর রেলস্টেশন, ঢাকাগামী ট্রেন মাত্র দুটি
রংপুর: রংপুরের বিভাগীয় নগরীর প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত ১৮৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুর রেলওয়ে স্টেশন আজও বি-গ্রেডের গণ্ডি পেরোতে পারেনি। দেড়শ বছরের পুরনো এ স্টেশনে একটি মাত্র প্ল্যাটফর্ম, নেই ফুটওভারব্রিজ বা নিরাপত্তা বেষ্টনী। অথচ প্রতিদিন গড়ে সাত হাজার যাত্রী এ স্টেশন ব্যবহার করছেন। রংপুরবাসীর দাবি—অবিলম্বে ঢাকাগামী রেলের সংখ্যা বৃদ্ধি, স্টেশনটির এ-গ্রেডে উন্নীতকরণ এবং দেড়শ বছরের পুরনো এ স্থাপনার পূর্ণাঙ্গ আধুনিকায়ন।
রংপুর রেলস্টেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭৮ সালের ২ জুলাই। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে দর্শনা-জগতি রেলপথ চালুর পর জেলা সদরের মধ্যে রংপুরেই সর্বপ্রথম রেলস্টেশন স্থাপিত হয়। বুড়িমারী-লালমনিরহাট-পার্বতীপুর লাইনের পার্বতীপুর-কাউনিয়া অংশে অবস্থিত এ স্টেশনটি প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৪ সালে একবার বড় ধরনের সংস্কার হয়। এরপর দেড়শ বছরে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম হয়নি। ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল পেরিয়ে স্বাধীনতার ৫০ বছরের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও স্টেশনটি এখনো বি-গ্রেডেই রয়ে গেছে। জেলা রংপুর বিভাগ ও সিটি করপোরেশন হয়েছে, প্রতিষ্ঠা হয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ, বেড়েছে জনসংখ্যা—কিন্তু স্টেশনের মর্যাদা বদলায়নি।
রংপুর রেলস্টেশন থেকে শহরের বুক চিরে পশ্চিম প্রান্তে মেডিকেল মোড়ে হাইওয়ের সঙ্গে মিলিত হয়েছে স্টেশন রোড বা মেইন রোড। নগরের সব কার্যক্রম এ একটি সড়ককে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। পরিবহণ ও মানুষের সংখ্যা বহুগুণ বাড়লেও নতুন সড়ক না থাকায় নিত্য যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি। নগরের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে স্টেশন এলাকায় ব্যক্তিগত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। এখানে চাল, গম, আটা ও তেলের কিছু পাইকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। যোগাযোগ সুবিধার কারণে এলাকাটি উত্তরাঞ্চলের খাদ্যপণ্যের পাইকারি বাজার হিসেবে বিকশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗


