দৌলতপুরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনার দৌলতপুরে পারিবারিক পুকুর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে একটি পরিবারের বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নারীসহ পরিবারের একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন হামলাকারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. রুবাই বন্দ (২৫) নামের এক ব্যক্তি দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন । এছাড়া লিখিত অভিযোগে মো. মোতাহের বন্দসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগসূত্রে জানা যায়, বাদীর পরিবারের বসতবাড়ি সংলগ্ন একটি পারিবারিক পৈতৃক পুকুর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পুকুরটি পরিবারের পূর্বপুরুষ এবং বাদীর বাবা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার কল্যাণে দান করেছিলেন। তবে কয়েকজন অভিযুক্ত অসৎ উদ্দেশ্যে জমির আরএস রেকর্ড নিজেদের নামে করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে দাবি বাদীর। অভিযোগে আরও বলা হয়, এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় অভিযুক্তদের সঙ্গে বিরোধ বাড়তে থাকে। যার প্রেক্ষিতে গত ৬ নভেম্বর শুক্রবার সকালে অভিযুক্তরা বাদীর পরিবারের সদস্যদের প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে একই দিন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তাদের বসতবাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়। পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয় এবং বাড়িতে থাকা মূল্যবান মালামাল ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগও আনা হয়েছে। বিশেষ করে পরিবারের এক বৃদ্ধা নারীকে মারধর করে গুরুতর আহত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে। এ ছাড়া পরিবারের নারী সদস্যদের উদ্দেশে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তবে, পুলিশ চলে যাওয়ার সময়ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাদী। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মো. মোরাদুল ইসলাম বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই আমি স্বাক্ষির জন্য বাহিরে আছি। ওসি তদন্ত জানতে পারে আমি এসে দেখবো।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗
