
জোনাকির হারিয়ে যাওয়া আলো
টুকটুকে গোধূলি পেরিয়ে চারপাশ যখন ঘুটঘুটে অন্ধকারে ঢেকে যায়, ঠিক তখনই প্রান্তরজুড়ে শুরু হয় এক নিভৃত আলোড়ন। ঘাসের ডগায়, বুনো ঝোপঝাড়ের আড়ালে কিংবা পাতার ফাঁকে হঠাৎ জ্বলে ওঠা বিন্দু বিন্দু হলুদ আলো দেখলে মনে হয়, আসমান থেকে বুঝি কোনো তারা খসে এসে ঘাসের বিছানায় লুকিয়ে পড়েছে। প্রকৃতির এই জাদুকরী আয়োজন আমাদের শৈশবের স্মৃতিতে যেমন নস্টালজিয়া জাগায়, তেমনি যান্ত্রিকতার যুগে দাঁড়িয়ে এক অদ্ভুত বিস্ময়ও তৈরি করে।
আজকের এই ব্রেকিং নিউজের দৌড়ঝাঁপ ও কংক্রিটের খাঁচাবন্দি জীবন থেকে একটু সময় দূরে সরে গিয়ে যদি চোখ ফেরানো যায় প্রকৃতির দিকে, তবে দেখা মিলবে জোনাকির সেই রহস্যময় আলোঝলমলে দুনিয়ার। যে দুনিয়ায় লুকিয়ে আছে ভালোবাসার আদিম প্রকাশ, দারুণ সব প্রতারণা আর নির্মম বেঁচে থাকার এক অবিশ্বাস্য লড়াই!
শুরু করা যাক একদম গোড়ার কথা দিয়ে। জোনাকি পোকা বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে মৃদু আলো ছড়ানো এক ছোট্ট নিরীহ জীব। কিন্তু এই আলোর পেছনের রসায়নটি মোটেও সাধারণ কোনো ব্যাপার নয়। জোনাকির পেটের নিচে থাকা বিশেষ অঙ্গ থেকে ‘লুসিফেরিন’ নামক রাসায়নিক পদার্থের সঙ্গে অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় এই ঠান্ডা আলো উৎপন্ন হয়, যা এক ফোঁটাও তাপ ছড়ায় না।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

