১১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:০৫ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিঢাকাজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামতসম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ
একই ঘটনা

অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে রাজশাহীর প্রত্ন-ঐতিহ্য ‘ঢোপকল’

১টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত · এই তালিকায় ১টি প্রতিবেদন

প্রথম প্রতিবেদন: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮ · সর্বশেষ প্রতিবেদন: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮

প্রধান সংবাদ

Sarabangla বাংলা

অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে রাজশাহীর প্রত্ন-ঐতিহ্য ‘ঢোপকল’

· বাংলাদেশ

রাজশাহী: পদ্মাপাড়ের ঐতিহাসিক শহর রাজশাহী একসময় শিক্ষা, সংস্কৃতি আর আধুনিক নাগরিক সুবিধার সূতিকাগার হিসেবে সুপরিচিত ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তন, নগর উন্নয়ন আর দীর্ঘদিনের চরম অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে এই শহরের আধুনিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থার প্রথম স্মৃতিচিহ্ন— ‘হেমন্ত কুমারী ঢোপকল’। ১৯৩৭ সালে স্থাপিত প্রায় ৮৮ বছরের পুরোনো এই প্রত্ন-ঐতিহ্য আজ তীব্র অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। শতবর্ষ ছুঁইছুঁই অনন্য এসব পানির আধার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোথাও ভাঙাচোরা, কোথাও আগাছায় নিমজ্জিত, আবার কোথাও স্রেফ নীরবে দাঁড়িয়ে আছে বিলুপ্তপ্রায় এক স্মারক হয়ে।

বিশ শতকের ত্রিশের দশকে রাজশাহী শহরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল। নগরবাসী মূলত পুকুর, পাতকুয়া ও অনিরাপদ জলাশয়ের পানির ওপর নির্ভরশীল থাকায় কলেরা, আমাশয় ও ডায়রিয়ার মতো প্রাণঘাতী পানিবাহিত রোগে প্রতিনিয়ত প্রচুর মানুষ মারা যেতেন। এই ভয়াবহ মহামারি থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় এগিয়ে আসেন তৎকালীন রাজশাহী পৌরসভার চেয়ারম্যান রায় ডি.এন. দাশগুপ্ত (১৯৩৪-১৯৩৯)। রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে তিনি শহরে একটি আধুনিক ওয়াটার ওয়ার্কস ও ফিল্টারড ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্টের পরিকল্পনা নেন।

১৯৩৭ সালের আগস্টে তদানীন্তন ‘মিনিস্ট্রি অব ক্যালকাটা’র অধীনে ‘রাজশাহী ওয়াটার ওয়ার্কস’ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যাতে তৎকালীন সময়ে ব্যয় হয়েছিল প্রায় আড়াই লাখ টাকা। এই বিপুল ব্যয়ের বৃহৎ জনকল্যাণমূলক প্রজেক্টে সর্ববৃহৎ একক অনুদান দিয়ে ইতিহাসের অংশ হয়ে যান পুঠিয়ার মহারানী হেমন্ত কুমারী দেবী। তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রদান করেন নগদ ৬৫ হাজার টাকা। তার এই অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা বোর্ডের জমিতে নির্মিত পানি শোধনাগারটির নামকরণ করা হয় ‘মহারানী হেমন্ত কুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস’। পরবর্তী সময়ে এর অধীনে শহরজুড়ে বসানো বিশেষ আকৃতির সুপেয় পানির কলগুলো সর্বসাধারণের কাছে ‘হেমন্ত কুমারী ঢোপকল’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

একই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন একসঙ্গে দেখানো হয়েছে। AjkerNews এসব প্রতিবেদনের লেখক বা প্রকাশক নয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ