
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথ থেকেই সূচনা হোক পরিচ্ছন্ন নগরীর
চট্টগ্রামের জাকির হোসেন সড়কে ওমর গণি এমইএস কলেজ ও ইস্পাহানি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রবেশপথের দিকে তাকালে নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আমাদের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ফারাকটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দুই বিশিষ্ট দানবীরের নামে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবেশমুখে যত্রতত্র পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারসামগ্রীর উপস্থিতি দৃষ্টিকটু। শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের যাতায়াতের এই পথটুকু কি পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও নান্দনিক হতে পারে না? দুঃখজনক হলো, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন চিত্র নয়। চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকার বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথেও একই দৃশ্য দেখা যায়।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন যখন ‘ক্লিন, গ্রিন অ্যান্ড হেলদি সিটি’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে এবং নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে উদ্যোগী হচ্ছে, তখন এই বাস্তবতা নতুন করে ভাবার দাবি রাখে। একটি পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার কাজ শুধু প্রচারণা, স্লোগান কিংবা বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান দিয়ে সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন প্রতিদিনের দায়িত্বশীলতা, নিয়মিত তদারকি এবং নাগরিক সচেতনতার সমন্বয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেবল পাঠদান ও পরীক্ষার ফলাফল অর্জনের জায়গা নয়। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, নাগরিক দায়িত্ববোধ ও সৌন্দর্যবোধ গড়ে তোলারও অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। সেই বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ যেমন পরিচ্ছন্ন হওয়া প্রয়োজন, তেমনি তার প্রবেশপথ, সীমানাপ্রাচীর ও আশপাশের পরিবেশও হওয়া উচিত পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗