
হাইকোর্টের রায়ে গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ
পাঁচটি অর্থবছরের বিপরীতে বকেয়া কর হিসেবে ৬৬৬ কোটি টাকা আদায়ে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। রায়ে আইন অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এই বকেয়া কর আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারসহ বিবাদীদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশ জারির মাধ্যমে আদায় প্রক্রিয়া শুরু করার এই সিদ্ধান্ত সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। যিনি চব্বিশের পাঁচ আগস্ট পরবর্তীতে গঠিত হওয়া অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মূলত ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ পর্যন্ত মোট পাঁচটি করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে পুনর্মূল্যায়নের পর ৬৬৬ কোটি টাকা প্রদেয় কর দাবি করে কর কর্তৃপক্ষ। এই দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণ হাইকোর্টে দুটি পৃথক রিট আবেদন করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী গ্রামীণ টেলিকমের মাধ্যমে গ্রামীণফোনে বিনিয়োগ করে প্রাপ্ত লভ্যাংশের অংশ পাচ্ছিল গ্রামীণ কল্যাণ। তবে এই আয় ‘লভ্যাংশ’ নাকি ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’- এ নিয়েই বিরোধের সূচনা হয়।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗



