পরিবারের বোঝা থেকে আয়ের অংশীদার হচ্ছেন চরাঞ্চলের প্রতিবন্ধীরা

সংবাদ থেকে
গাইবান্ধা: যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের বিস্তীর্ণ চর। নদীভাঙন, দারিদ্র্য আর নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে প্রতিদিনের লড়াই এখানকার মানুষের। সেই লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই প্রতিবন্ধী মানুষেরাও। একসময় যাদের নিয়ে পরিবারে ছিল দুশ্চিন্তা, সমাজে ছিল নানা সীমাবদ্ধতা, সেই মানুষগুলোই এখন স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। কেউ ভেড়া পালন করে আয় করছেন, কেউ দোকান পরিচালনা করছেন, আবার কেউ সঞ্চয় গড়ে তুলছেন। নিজের জীবনে স্বস্তি আনার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের অর্থনীতিতেও রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
গাইবান্ধার প্রত্যন্ত চরের ২৫ বছর বয়সি রোহিজুল। তিনি বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। জন্মের পর থেকে তাকে নিয়ে দীর্ঘদিন উদ্বিগ্ন ছিলেন মা আলেয়া বেগম। ছেলে কীভাবে নিজের জীবন চালাবেন, ভবিষ্যতে পরিবারের ওপর কতটা নির্ভরশীল থাকবেন এসব চিন্তা তাকে কুরে কুরে খেত । তবে গত দুই বছরে সেই দুশ্চিন্তার অনেকটাই কেটে গেছে।
প্রায় দুই বছর আগে রোহিজুলের পরিবারকে দুটি ভেড়ি দেয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ। সেখান থেকেই শুরু। ভেড়ি দুটির বংশবৃদ্ধি হয়েছে। এরই মধ্যে দুই দফায় চারটি ভেড়া বিক্রি করেছেন তারা। বর্তমানে তাদের খামারে রয়েছে নয়টি ভেড়া।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

