এআইয়ের যুগে চাকরির ভবিষ্যৎ: তরুণেরা কতটা প্রস্তুত?

সংবাদ থেকে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিশ্বজুড়ে কাজের ধরন, ব্যবসায়িক কৌশল ও কর্মসংস্থানের ধারণা বদলে দিচ্ছে। তথ্য বিশ্লেষণ, প্রতিবেদন তৈরি, গ্রাহকসেবা, বিপণন, সফটওয়্যার উন্নয়ন ও যোগাযোগে এআই সময় কমাচ্ছে এবং নতুন সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে চাকরির নিরাপত্তা ও দক্ষতার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে, যেখানে বিপুলসংখ্যক তরুণ কর্মজীবনে প্রবেশের অপেক্ষায়, প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ: এআই কি কর্মসংস্থানের বাধা হবে, নাকি নতুন সুযোগ তৈরি করবে? বাস্তবতা হলো, ভবিষ্যৎ শুধু চাকরি হারানোর আশঙ্কা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না; বুঝতে হবে প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের দক্ষতা ও কাজের সম্পর্ক কীভাবে বদলাচ্ছে।
এআই নিয়ে বড় আশঙ্কা হলো, যন্ত্র মানুষের কাজ দখল করবে। তবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ২০২৫ সালের গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রতি চারটি চাকরির প্রায় একটির কাজে জেনারেটিভ এআইয়ের প্রভাব পড়তে পারে। এর অর্থ প্রতি চারজনের একজন চাকরি হারাবেন—এমন নয়; বরং অনেক পেশার নির্দিষ্ট কাজ বদলাবে, আর মানুষের সিদ্ধান্ত ও দক্ষতার ভূমিকা থাকবে।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗




