১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিঢাকাজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামতসম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

শিক্ষাঙ্গনে আমরা কোন ভবিষ্যৎ তৈরি করছি?

সূত্র: Dainik Purbokone / শিক্ষা

সংবাদ থেকে

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ আমাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, উপাচার্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে কার যুক্তি কতটা সঠিক, উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক কিংবা কার কী রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ভূমিকা রয়েছে,সেসবের বিচার করার মতো তথ্য আমার কাছে নেই। বিভিন্ন পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্যও এসেছে। তাই আমি কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বিচার করতে চাই না। আমার উদ্বেগ আরও বড় জায়গায়,একটি দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মতপার্থক্য সমাধানের পদ্ধতি যদি এমন হয়ে ওঠে, তাহলে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কী দৃষ্টান্ত তৈরি করছি?

বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগে শিক্ষার্থীদের মতামত বা প্রতিনিধিত্বের সুযোগ আছে, কিন্তু সরাসরি নিয়োগ বা অপসারণের ক্ষমতা সাধারণত নেই। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত স্বচ্ছ নীতিমালা, যোগ্যতার মানদণ্ড ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত,শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে নয়।

বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন চিন্তা ও মতপ্রকাশের জায়গা। শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করবে, প্রতিবাদ করবে; প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু দাবি আদায়ের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা প্রতিবাদের স্বাভাবিক রূপ হতে পারে না। একইভাবে প্রশাসনেরও দায় রয়েছে,সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার আগেই কার্যকর সংলাপ ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা। দীর্ঘ অচলাবস্থায় শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও শিক্ষা।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbokone

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর