২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪১ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

বনলতা সেন: ইতিহাসের পথ পেরিয়ে মানবিক আশ্রয়ের সন্ধান

সূত্র: Sarabangla / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

জীবনানন্দ দাশ তার জীবনে বিপুলসংখ্যক কবিতা রচনা করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত পাণ্ডুলিপি ও অপ্রকাশিত রচনা বাংলা সাহিত্যে তার সৃষ্টির ব্যাপ্তি সম্পর্কে নতুন ধারণা দিয়েছে। তবে হারিয়ে যাওয়া পাণ্ডুলিপির কারণে তার মোট কবিতার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন। তাঁর অসংখ্য কবিতার মধ্যে ‘বনলতা সেন’ এমন একটি সৃষ্টি, যা বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

আমার কাছে ‘বনলতা সেন’ জীবনানন্দের হৃদয়বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ। এই কবিতায় ইতিহাস, ভূগোল, প্রেম, নিঃসঙ্গতা ও মানবিক আশ্রয়ের আকাঙ্ক্ষা একাকার হয়ে গেছে। কবিতার কথক বলেন, ‘হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে।’ এই একটি পঙ্‌ক্তিই কবিতার ব্যাপ্তি বুঝিয়ে দেয়। তার যাত্রা শুধু কোনো ব্যক্তির ভ্রমণ নয়; যেন সমগ্র মানবসভ্যতার মধ্য দিয়ে এক ক্লান্ত মানুষের পথচলা।

কবিতায় সিংহল সমুদ্র, মালয় সাগর, বিম্বিসার, অশোক, বিদর্ভ নগর, শ্রাবস্তী ও বিদিশার উল্লেখ রয়েছে। এগুলো নিছক ঐতিহাসিক নাম নয়; কবির কল্পনায় তারা অতীতের স্মৃতি, সভ্যতার চিহ্ন ও সৌন্দর্যের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। শ্রাবস্তীর কারুকার্য বনলতা সেনের মুখে, আর বিদিশার নিশা তার চুলে এসে মিশেছে। এভাবেই জীবনানন্দ ইতিহাসের ভূগোলকে ব্যক্তিগত অনুভূতির জগতে রূপান্তরিত করেছেন।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর