২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

রূপসার গ্রামীণ সড়কগুলোর বেহাল দশা,জনদুর্ভোগ চরমে

সূত্র: Dainik Purbanchal / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

এইচ এম রাকন, রূপসা (খুলনা) : রূপসা উপজেলার গ্রামীণ ও প্রধান সংযোগ সড়কগুলোর বেহাল দশার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে উপজেলার অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়কটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বর্তমানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির পাশেই দেশের দুই বীর সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহর সমাধি কমপ্লেক্স এবং অরিয়ন পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন বড় ধরনের কোনো টেকসই সংস্কার না হওয়া এবং স্থানীয় জুট মিল ও ইটভাটার অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কটি এখন যানবাহন চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এছাড়া উপজেলার ঘাটভোগ, আইচগাতি ও নৈহাটি ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ গ্রামীণ রাস্তাগুলো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে। পাথরমঘাটা ও বাগমারা সংলগ্ন পল্লী সড়কগুলোর বেহাল দশার কারণে কৃষিপণ্য ও রোগী পরিবহনে চরম বিপাকে পড়ছেন স্থানীয়রা।নৈহাটি এলাকার বাসিন্দা মো. শরিফুল ইসলাম গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তাটি আমাদের খুলনায় যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম।

প্রতিদিন শত শত জুট মিলের ভারী ট্রাক চলায় রাস্তাটি ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। বর্ষাকালে গর্তে পানি জমে রিকশা-ভ্যান উল্টে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা দ্রুত এই ঐতিহাসিক সড়কটি টেকসইভাবে সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।ঘাটভোগ ইউনিয়নের বাগমারা এলাকার ভ্যানচালক আল-আমিন বলেন, গ্রামীণ রাস্তাগুলোর কোথাও কোথাও সংস্কার হলেও কয়েক মাস না যেতেই পলেস্তারা ও পিচ উঠে যায়। ঠিকাদারি কাজের মান তদারকি করা এবং ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা না হলে সরকারি টাকা বারবার জলেও যাবে, আমাদের দুর্ভোগও কমবে না।গ্রামীণ সড়কগুলোর টেকসই উন্নয়ন ও বর্তমান প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে রূপসা উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সজিব হোসেন বলেন, উপজেলার গ্রামীণ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে আমরা বেশ কিছু নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। বর্তমানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (ওজওউচ-৩) এবং খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের(কইঝ-জওউচ) আওতায় বেশ কিছু গ্রামীণ রাস্তা ও সেতুর সংস্কার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।তিনি আরও বলেন, রাস্তা টেকসই করতে হলে গ্রামীণ সড়কে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ভারী ট্রাক চলাচল বন্ধ করতে হবে। আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও শিল্প-কারখানার মালিকদের সাথে কথা বলছি। পাশাপাশি চলমান কাজগুলোতে কাজের মান যাতে শতভাগ ঠিক থাকে, সেজন্য মাঠপর্যায়ে আমাদের কারিগরি টিম কঠোর তদারকি করছে।এদিকে খুলনা বিভাগীয় এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার জানান, খুলনা অঞ্চলের গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। রূপসা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর জন্য বিশেষ বরাদ্দ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে দীর্ঘমেয়াদী টেকসই রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দ্রুতই উপজেলার মানুষ এর সুফল পাবেন।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbanchal

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর