২৪ অক্টোবর ২০২৬, ২১:১৫ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

গাইবান্ধায় কৃষিতে আগ্রহ নেই তরুণদের, ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা

সূত্র: Sarabangla / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

গাইবান্ধা: যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর অববাহিকায় অবস্থিত উত্তরের জেলা গাইবান্ধা। নদীবিধৌত উর্বর পলিমাটি, বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও কৃষি উপযোগী পরিবেশের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই কৃষিশস্য, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু ও মাছ উৎপাদনে খ্যাতি রয়েছে এ জেলার। গাইবান্ধার অসংখ্য পরিবারের জীবিকা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অথচ অনিশ্চিত আয়, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং সামাজিক অবমূল্যায়নের কারণে এ পেশার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। অনেক কৃষকও চান না, তাদের সন্তানদের একই অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে জীবন কাটাতে হোক। এতে গাইবান্ধার কৃষির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সমাজের একটি অংশ এখনো কৃষিকে তুলনামূলক কম মর্যাদার পেশা হিসেবে বিবেচনা করে। ‘চাষাভুষা’ শব্দটির ব্যবহারেও কৃষিশ্রমের প্রতি অবজ্ঞার মনোভাব প্রকাশ পায়। শিক্ষিত হওয়া কিংবা আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে কৃষিপেশা থেকে দূরে থাকার প্রবণতাকে অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। ফলে কৃষির সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যেও সন্তানদের অন্য পেশায় প্রতিষ্ঠিত করার আকাঙ্ক্ষা বাড়ছে।

এই মনোভাবের প্রভাব পড়ছে তরুণদের পেশা নির্বাচনে। অনেকের কাছেই চাকরি, ব্যবসা কিংবা শহরকেন্দ্রিক কর্মসংস্থান কৃষির চেয়ে বেশি আকর্ষণীয়। কৃষিকাজে শারীরিক পরিশ্রম, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা, ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতির আশঙ্কা তাদের অনাগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলছে। এর সঙ্গে সামাজিক মর্যাদার প্রশ্ন যুক্ত হওয়ায় কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রবণতা কমছে।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর