২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

পাইকগাছায় পলিথিনের জীর্ণ টোঙ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন সাকাত দম্পতির

সূত্র: Dainik Purbanchal / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

দারিদ্রতার সাথে যুদ্ধ যেন থামছেই না। জীবনের পড়ন্ত বেলায় যেন একেবারেই হাফিয়ে উঠেছেন খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি সিলেমানপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭০ বছরের বৃদ্ধ মোঃ সাকাত মোড়ল।

তিনি একমাত্র অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে বর্তমানে বসবাস করছেন এক জরাজীর্ণ ঘরে, যার একটি অংশ ভেঙে পড়েছে আর যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে বাকি অংশটুকুও। মাথার উপর ভাঙ্গা টিন, মাটির ভাঙ্গা টালি আর পলিথিনের ছাউনি, মাটির দেয়াল জরাজীর্ণ, বাঁশের অবলম্বন আর পলিথিনের বেড়ায় যেন দারিদ্র্যের এক বাস্তব চিত্র। দূর থেকে দেখে মনে হয় এটা একটি পরিত্যক্ত ভাঙ্গা ঝুপড়ি ঘর। এখানে কোন মানুষের বসবাস নেই, কিন্তু না তা নয়, কয়েকটি বাঁশের সাথে টুকরো টুকরো পলিথিনের কাগজ দিয়ে ঘেরা এই ভাঙ্গা ঝুপড়ি ঘরে ৭০ বছরের বৃদ্ধ সাকাত মোড়ল একমাত্র স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

এই অসহায় বৃদ্ধের বর্তমানে জীবন কাটছে অভাব আর কষ্টে। ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে নিদারুন কষ্টে কাটছে তার দিন। তার নেই কোনো স্থায়ী আয়ের উৎস, বয়স্ক ভাতা ছাড়া নেই আর কোন সরকারি সাহায্য কিংবা সমাজের তেমন সহযোগিতা। জায়গা জমি বলতে আছে শুধু দুই শতক জমি। তারই উপর দাঁড়িয়ে আছে এখানা জীর্ণশীর্ণ ঘর। ঘরে বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ঘরের চাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। তারপরও বৃষ্টি বা বন্যা এলেই পানিতে ভিজে কাঁদা হয়ে যায়। তখন আর ঘরে থাকতে পারেন না, আশ্রয় নিতে হয় অন্যের ঘরে। নিজের ঘরে থাকার মতো একটি খাট পর্যন্ত নেই, মাটিতে পলিথিন বিছিয়ে রাত কাটান বৃদ্ধ এই দম্পতি।

মূল প্রতিবেদন: Dainik Purbanchal

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর