26 October 2026, 15:32 · Dhaka Independent news discovery
Main navigation
BangladeshPoliticsDistrictCrimeInternationalEconomyBusinessStock MarketSportsEntertainmentTechnologyScienceEducationHealthLifestyleEnvironmentAgricultureJobsReligionTravelOpinion & EditorialFact CheckGood NewsGeneral

ভুমিহীনদের মানবেতর জীবন যাপন, রামপালে ১৬ বছরেও সংস্কার হয়নি ৬ গরীবের আবাসন।

Source: Dainik Purbanchal / Bangladesh

সংবাদ থেকে

আমাদের যাবার মতো কোনো জাগা নেই। অনেকে বসবাসকত্তিনা পারে চলে গেইছে।বর্ষাকাল যে কিভাবে কাটাইছি তা আল্লাহ জানে। আমাদের দিক সরকার মোটেও তাকায় না। এভাবে আমরা আর বসবাস কত্তিপাত্তিছি না। আমাদের ঘরকয়ডা এট্টুঠিক করে দিলি আমারা থাকতি পাত্তাম।এভাবে আঞ্চলিক ভায়ায় দুর্ভোগের কথাগুলো বলছিল ১৬ বছরেও সংস্কার না হওয়া রামপাল উপজেলার ৬ পুরাতন আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা।

রামপাল উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান অধিদপ্তরের একটি সুত্র জানায় বিগত ২০১০ সালে এ উপজেলার গৌরম্ভা, বাঁশতলী, পেড়িখালি, ফয়লাহাট, কাষ্টবাড়িয়া, শ্রীফলতলা, এলাকায় সরকারি ভুমির উপর ৬ টি আবাসন প্রকল্প নির্মান করা হয়। উপজেলা ভুমিহীন যাচাই বাছাই কমিটির সুপারিশ মোতাবেক উপজেলা প্রশাসন ওই সব আবাসনে ৪৮০টি শতাধিক ভুমিহীন পরিবার পুনর্বাসন করেন। পুনর্বাসনের পর কয়েক বছর তারা নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারলেও আস্তে আস্তে মেরামতের অভাবে আবাসন গুলো জরাজীর্ণ হয়েপড়ে। ভুমিহীনরা মেরমতের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে একাধিক বার দাবী জানালে আশ্বাস দিয়েও করা হয়নি মেরামত। আস্তে আেেস্ত ঘরগুলো একবারেই জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। এখন বসবাসের নেই কোনো উপায়। এমন অবস্থায় বসবাস করতে না পেরে বেশির ভাগ ভুমিহীন আবাসন ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। আর এখন যারা শত সমস্যা মাথায় নিয়ে আছে তাদের যাবার মতো জায়গা নেই বলে পড়ে আছে।.

এ প্রতিবেদন লেখার আগে এ উপজেলার মুজিবনগর ও গৌরম্ভা পুরাতন আবামস প্রকল্প ঘুরে ভুমিহীণদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা টানা ১৬ বছর ধরে বসবাস করছে আবাসনের ঘরে। আনুমানিক ২০২০-২১ সালে ঘরগুলো আস্তে আস্তে নষ্ট হতে থাকে। মেরামতের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে দাবী জানালেও তাদের সেই দাবী মানা হয়নি। প্রতিটি আবাসনে ৮টি করে ব্যারাক নির্মান করা হয়। প্রতিটি ব্যারাকে ১০ টিকরে মোট ৮০ ভুমিহীন পরিবারের ঠাই হয়। ব্যারাব গুলো রোহাররড়, সিমেন্ট, বালির সংমিশ্রনে খুটি, লোহার আ্যাংগেলের কাঠামোর উপর টিনে ছাউনি দিয়ে নির্মান করা হয়। প্রতিটি ব্যারকের একে কটি ঘরে একটি করে টয়লেট, একটি রান্না-ঘর ও বারান্দা রয়েছে। এখন কোনো মতে দাড়িয়ে আছে ব্যারাক গুলো।ঘরের ভির থেকে মাথা উচু করে আকাশের দিকে তাকালে আকাশ দেখা যায়। কোনো কোনো পরি বারবৃষ্টির পানি ঠেকাতেটিলের চালার উপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। জোরে বাতাস হলে সেই পলিথিন উড়ে যায়। তখন ভিতে বৃষ্টির পানিতে সয়লাভ হয়ে যায়।

Original report: Dainik Purbanchal

Read the complete and latest report on the publisher’s website.

View Original Article ↗

Related News

Latest

Trending