প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

সংবাদ থেকে
প্রদীপ মণ্ডল, খাসেরহাট (চিতলমারী): বাগেহরাটের চিতলমারীতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত পরিবারগুলোর মাঝে ব্যপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই উপজেলায় সম্প্রতি ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ধরণের ফলের দাম। যার কারণে ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য ফল ক্রয় করতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন স্বজনরা।
মাত্র এক মাসের ব্যবধানে প্রতিটি ফলের মূল্য দেড় থেকে দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলের বাজারে দেখা দিয়েছে এক ধরণের নৈরাজ্য। দাম স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের তাগিত সচেতন মহলের।
সরজমিনে চিতলমারী বাজারের বিভিন্ন ফলের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, মান ও আকার ভেদে প্রতি কেজি বিদেশী মাল্টা ৩৮০ টাকা থেকে ৪২০ টাকা, দেশীয় সবুজ মাল্টা ৯০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, প্রতি পিচ ডাব ১৫০ টাকা থেকে ২শ টাকা, আনারস প্রতিপিস ১শ থেকে দেড়শ টাকা, মাঝারি ধরণের পেপে ৮০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা, জাম্বুরা (বাতাবি লেবু) ৭০ থেকে ১০০ টাকা, প্রতিকেজি পেয়ারা ৮০ থেকে ১শ টাকা, প্রতি হালি লেবু ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নাম না প্রকাশের শর্তে একাধিক ফল বিক্রেতা জানান, এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সব ধরণের ফলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ভিটামিনি ‘সি’ সমৃদ্ধ ফলের দাম গত কয়েক মাসের তুলনা দেড় থেকে দুইগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা আরো জানান, চিকিৎসকরা ডেঙ্গু আক্রান্তদের মাল্টা, জাম্বুরা, কমলা, আনারসসহ টক জাতীয় রসালো ফল খেতে উৎসাহিত করছেন। যার কারণে এ জাতীয় ফলের সরবারহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। দাম বৃদ্ধি পেলেও এসব ফলের সরবারহ চাহিদার তুলনায় বেশ কম।
Read the complete and latest report on the publisher’s website.
View Original Article ↗