২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:১৮ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

জমির অভাবে শিল্পায়ন স্থবির, দুই দশকেও আলোর মুখ দেখেনি প্রস্তাবিত দ্বিতীয় বিসিক শিল্পনগরী

সূত্র: Sarabangla / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

রংপুর: রংপুরে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের প্রসারে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিল্প প্লটের তীব্র সংকট। বিদ্যমান বিসিক শিল্পনগরীর ৮৩টি প্লটের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ একটি প্রতিষ্ঠানের দখলে থাকায় নতুন উদ্যোক্তারা জমি পাচ্ছেন না। ফলে কৃষিজমিতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে শিল্প-কারখানা, কমছে কৃষি জমি এবং বাড়ছে বেকারত্ব। ২০০২ সাল থেকে দ্বিতীয় বিসিক শিল্পনগরী স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রশাসনিক উদাসীনতায় তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

রংপুর বিসিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৭ সালে নগরীর সিও বাজার এলাকায় ২০ দশমিক ৬৮ একর জমি অধিগ্রহণ করে ৮৩টি প্লটে বিভক্ত করে উদ্যোক্তাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে এখানে রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড (আরএফএল), জিএফএল, খান ফাউন্ড্রি, চৌধুরী আইস অ্যান্ড কোল্ডস্টোরেজ, বিসমিল্লাহ মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, নাইন জুট মিলস, হিমাদ্রি কোল্ড স্টোরেজ, মিল্ক ভিটাসহ ২৫টি শিল্প ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে ২২টি সচল। তবে প্লটের আকারভেদে এ ক্যাটাগরিতে ১৩টি, বি ক্যাটাগরিতে ৩৯টি, সি ক্যাটাগরিতে ১৬টি, ডি ক্যাটাগরিতে ১৪টি এবং একটি বিশেষ প্লট থাকলেও এর প্রায় ৭৫ শতাংশই আরএফএলের দখলে।

এদিকে ২০১০ সালে রংপুর বিভাগ গঠনের পর উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি বিসিকের প্লট সংখ্যা। ফলে প্রতিদিনই নতুন উদ্যোক্তারা প্লটের আশায় বিসিক এলাকায় এসে ফিরে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক উদ্যোক্তা জানান, প্লট না পাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে কৃষি জমি কিনে শিল্প স্থাপন করছেন, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

মূল প্রতিবেদন: Sarabangla

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর