২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ · ঢাকা স্বাধীন সংবাদ সংকলন
প্রধান মেনু
বাংলাদেশরাজনীতিজেলাঅপরাধআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিব্যবসাশেয়ারবাজারখেলাবিনোদনপ্রযুক্তিবিজ্ঞানশিক্ষাস্বাস্থ্যজীবনযাপনপরিবেশকৃষিচাকরিধর্মভ্রমণমতামত ও সম্পাদকীয়তথ্য যাচাইসুখবরসাধারণ

শহরতলীর ধুলিয়াখাল গ্রামে কবরস্থান দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

সূত্র: Habiganj Express / বাংলাদেশ

সংবাদ থেকে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরতলী ধুলিয়াখাল গ্রামে পূর্ব পুরুষদের কবরস্থান দখল করে মার্কেট নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধুলিয়াখাল গ্রামের শাহিন মিয়া, আব্দুল কদ্দুছ, মতলিব মিয়া, শফিক মিয়া, শামসু মিয়া, তোতা মিয়া এসব কবরস্থান দখল করে মার্কেট নির্মাণ করলেও সাহস করে কেউ প্রতিবাদ করেনি। শাহিন মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক মামলা, গাড়ি চুরির মামলা, হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখমের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। ফলে শাহিন মিয়াসহ তার সহযোগিদের আতংকে কেউ তাদের অপরাধের প্রতিবাদ করছে না।

জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নুরপুর উত্তর মৌজার এস এ খতিয়ান নং ১, জেএল নং ৬৫, বর্তমান দাগ নং ২৪১, ৬২৭ ও ৬২৯ এ ১৫৬ শতক জায়গা কবরস্থান হিসাবে উল্লেখ রয়েছে। তন্মধ্যে ২৪১ দাগের ৯৫ শতক জায়গা মসজিদের নামে বরাদ্ধ রয়েছে। ৯৫ শতকের মধ্যে ১০/১৫ শতকে মসজিদ নির্মাণ করা হলেও অবশিষ্ট জায়গাটিও জোরেবলে দখল করা হয়েছে। মসজিদ ও কবরস্থানের অন্তত ৫০ শতক জায়গা দখল করে মার্কেট এবং গাড়ি রাখার গ্যারেজ বানিয়ে দখল করে নিয়েছেন শাহিন মিয়া ও তার লোকজন। কবরস্থানের জায়গা দখল করে নির্মিত মার্কেটের একদিকে ৫৫টি দোকান ও অন্যদিকে ৪০টি দোকান ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। দোকান ভাড়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ প্রতিবাদের শংকায় গ্রামের কাউকে ভাড়া দেয়া হচ্ছে না। কৌশল হিসাবে ভিন্ন জেলা বা ভিন্ন এলাকার মানুষদের কাছে এসব দোকান ভাড়া দেয়া হয়। কবরস্থান দখল করে নির্মিত মাকের্টের নিচে এলাকার পূর্ব পুরুষদের অনেকের কবরস্থান রয়েছে। কবরস্থান দখল করে মার্কেট নির্মাণ করায় কবরস্থানের পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এব্যাপারে ধূলিযাখাল গ্রামের আবদাল মিয়া জানান-কবরস্থানের যে জায়গা দখল করে মার্কেট ও গ্যারেজ নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে ১০/১২টি কবর আমরাই দেখেছি, আমাদের বাবা দাদারা সবাই বলেছেন-সেখান তাদের পুর্ব পুরুষদের দাফন করা হয়েছে, ধুলিয়াখাল গ্রামের সোহেল মিয়া জানান-যে জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে আমি নিজেই দেখেছি কবরস্থান রয়েছে। নতুন নতুন কবরস্থানকে দখল করে মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। মার্কেটের নিচে আমার আত্বীয় স্বজনের কবরস্থান রয়েছে। ধুলিয়াখাল গ্রামের মাহমুদুল হাসান জানান-কবরস্থান ও মসজিদের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণকারীরা প্রভাবশালী। ফলে ধুলিয়াখাল গ্রামের অনেকের পুর্বপুরুষদের কবরস্থান দখল করে মার্কেট নির্মাণ করলেও সাহস করে কেউ প্রতিবাদ করছে না। মার্কেট ও গ্যারেজের বেশ কিছু জায়গা জুড়ে মুসলমানদের কবর রয়েছে, তা আমি নিজে দেখেছি, আমাদের বাবা চাচারাও দেখেছেন। পূর্ব পুরুষদের কবরস্থানে মার্কেট নির্মাণ করায় সাধারণ মানুষ ঢুকড়ে ঢুকড়ে কাদছে কিন্তু প্রতিবাদ করতে পারছে না।

মূল প্রতিবেদন: Habiganj Express

সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।

মূল সংবাদ দেখুন ↗

সম্পর্কিত খবর

এই সংবাদমাধ্যমের আরও খবর

সর্বশেষ

আলোচিত খবর