31 October 2026, 07:34 · Dhaka Independent news discovery
Main navigation
BangladeshPoliticsDistrictCrimeInternationalEconomyBusinessStock MarketSportsEntertainmentTechnologyScienceEducationHealthLifestyleEnvironmentAgricultureJobsReligionTravelOpinion & EditorialFact CheckGood NewsGeneral

হবিগঞ্জে একই ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের

Source: Habiganj Express / Bangladesh

সংবাদ থেকে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথক আসামি উল্লেখ করে দুটি মামলা দায়েরের ঘটনায় হবিগঞ্জে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মোছা. ফুলতারা নামে এক নারীর দায়ের করা মামলা দুটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন উঠেছে। জানা যায়, গত ২৪ আগস্ট হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আতিক উল্লাহর মেয়ে মোছা. ফুলতারা বাদী হয়ে আব্দুল কাইয়ুমসহ ছয় জনকে আসামি করে হবিগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩০৭/১১৪/৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলাটি থানার অফিসার ইনচার্জ এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করেন। মামলার জি.আর. নম্বর ১৯৯/২৬। এ মামলার প্রধান আসামি আব্দুল কাইয়ুম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রথম মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গত ২৮ অক্টোবর হবিগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (কগ-১) বিচারকের আদালতে একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন ফুলতারা। দ্বিতীয় মামলায় হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জহিরুল ইসলাম সেলিমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন হীরা মিয়া, হানিফ আহমেদ ও শেফালী বেগম। মামলাটির সি.আর. নম্বর ১২৫০/২০২৬ (হবি)। দ্বিতীয় মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জহিরুল ইসলাম সেলিমসহ অন্য আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাদী মোছা. ফুলতারাকে আঘাত করেন এবং প্রথম মামলার (জি.আর. ১৯৯/২৬) ঘটনা সাজানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের দাবি, প্রথম মামলায় ঘটনার তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬ উল্লেখ করা হলেও দ্বিতীয় মামলায় একই ঘটনার তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে। তারিখের এই পার্থক্য নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, দ্বিতীয় মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলাম সেলিম সংশ্লিষ্ট সময়ে হবিগঞ্জে ছিলেন না; তিনি ঢাকায় তাঁর ব্যক্তিগত কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়া দ্বিতীয় মামলার সাক্ষীদের কয়েকজন স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব বক্তব্যের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, সম্প্রতি অনলাইন সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক ভিডিও বক্তব্যে ফুলতারা প্রথম মামলার (জি.আর. ১৯৯/২৬) ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তাঁকে কেউ প্রলোভন দেখায়নি বলে জানিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে দাবি করা হয়েছে। একই বক্তব্যে তিনি জহিরুল ইসলাম সেলিমকে চেনেন না বলেও উল্লেখ করেছেন বলে দাবি করা হয়।

প্রথম মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ রহমতে এলাহী বলেন, “প্রথম মামলাটি বাদীর কথামতোই লেখা হয়েছে। বাদী ফুলতারা নিজে হবিগঞ্জ সদর থানায় উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জের সামনে স্বাক্ষর করে এজাহার দায়ের করেছেন। পরবর্তীতে সদর থানার ওসি ঘটনাটির প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে মামলাটি এফআইআর হিসেবে রুজু করেন।” একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথক দুটি মামলা দায়েরের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। দ্বিতীয় মামলার অভিযোগ, ঘটনার তারিখের পার্থক্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থান নিয়ে ওঠা প্রশ্নের নিষ্পত্তি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।

Original report: Habiganj Express

Read the complete and latest report on the publisher’s website.

View Original Article ↗

Related News

Latest

Trending