ব্যাংক ঋণে নজরদারির অভাব, বাড়ছে খেলাপি

সংবাদ থেকে
ঢাকা: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ঋণের অর্থের সদ্ব্যবহার মনিটরিংয়ে উদাসীনতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জানা গেছে, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর যথাযথ নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নেয় অধিকাংশ ঋণ গ্রহীতা। তারা ঋণ প্রোফাইলে দেখানো অর্থ ভিন্ন কাজে ব্যবহার করেন। অনেকে ঋণের অর্থে কেনেন জমি। আবার ঋণ করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের নজিরও রয়েছে। কেউ কেউ সুকৌশলে ঋণের টাকায় বাড়ি, গাড়ি ও অন্যান্য সম্পদ কিনে সেগুলো আগের তারিখ দেখিয়ে একই ঋণের জামানত হিসাবে দেখান।
আবার এমনও গ্রাহক রয়েছেন, যারা ঋণ নিয়ে পণ্য আমদানির আড়ালে বিদেশে অর্থ পাচার করেন, যা ঋণের টাকার বহুমাত্রিক অপব্যবহার ছাড়া কিছু নয়। এ ধরণের ঋণের টাকা আদায় করা কঠিন। নির্ধারিত সময় পার হলেই তা হয়ে পড়ে খেলাপি। এতে উসকে যায় খেলাপি ঋণের গতি। ঋণের এ ধরণের পরিস্থিতি ঋণদাতার জন্য সতর্কসংকেত। ব্যাংক ঋণ নজরদারি বাড়ালে খেলাপির লাগামে টান পড়বে, যা বেশামাল খেলাপি কমাতে বিরাট ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণা বলছে, ঋণ বিতরণের পর অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিয়মিতভাবে ঋণগ্রহীতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের ক্ষেত্রে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা বিদ্যমান এ সংকট যেকোনো মূল্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাটাতে হবে। ঋণের প্রোফাইল প্রস্তুত করে তার নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। আর এগুলো করতে না পারলে স্বাভাবিকভাবেই ঋণের অর্থ ভিন্ন কাজে ব্যবহার হবে। অনেক ক্ষেত্রে ঋণের অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পথ সুগম করবে। এতে হবে অর্থ তছরুপ। এ ধরণের ঘটনা ঋণদাতা এবং ঋণ গ্রহীতার জন্য সতর্কসংকেত।
সম্পূর্ণ সংবাদ ও সর্বশেষ তথ্যের জন্য মূল প্রকাশনায় দেখুন।
মূল সংবাদ দেখুন ↗

